কলকাতা: ‘দাদার কীর্তি’ চলছেই। করোনা মোকাবিলায় মানবিকতার অনন্য সব নজির গড়ছেন বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট। দুঃসময়ে গরিব মানুষ, ফুটপাথবাসীদের মুখে অন্ন তুলে উদ্যোগী হয়েছিলেন অনেক আগেই। চাল নিয়ে পৌঁছে গিয়েছিলেন রামকৃষ্ণ বেলুড় মঠে। এরপর ইসকনে গিয়ে ১০ হাজার মানুষের অন্ন সংস্থানের দায়িত্ব তুলে নিয়েছিলেন নিজের কাঁধে। এবার শহরের ১০টি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের হাতে চাল পৌঁছে দিল সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ফাউন্ডেশন।

বুধবার এসজিএফ’র তরফ থেকে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলির হাতে ৩১০০ কেজি চাল তুলে দেওয়া হয়। ক্রিকেটের স্বর্গ্যোদ্যান ইডেন গার্ডেন্সের সামনে থেকেই গোটা ব্যবস্থাপনাটির তদারকি করেন সিএবি সচিব অর্থাৎ সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের দাদা স্নেহাশিষ গঙ্গোপাধ্যায়। দেশজুড়ে চলা লকডাউনের মধ্যেও গরিব সাধারণ মানুষের মুখে অন্ন তুলে দেওয়াই লক্ষ্য সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ফাউন্ডেশন সহ এই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর।

বুধবার যে ১০টি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার হাতে চাল তুলে দেওয়া হয় তার মধ্যে অন্যতম ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস অ্যাসোসিয়েশন। কলকাতার বিভিন্ন প্রান্তে এদের শাখা রয়েছে। অন্য একটি সংস্থার মাধ্যমে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ফাউন্ডেশনের চাল এদিন পৌঁছে যায় বারুইপুর-আনন্দপুর অঞ্চলে এইচআইভি আক্রান্ত ছোট-ছোট ছেলেমেয়েদের মধ্যে। তালিকায় ছিল ওঙ্কারনাথ মিশনের মতো নাম। এছাড়াও শহরের বিভিন্ন সংগঠন ও ক্লাবের মাধ্যমে এদিন চাল পৌঁছে যায় প্রয়োজনীয় মানুষদের কাছে। চাল তুলে দেওয়া হয় ময়দানের মালিদের হাতেও।

উল্লেখ্য, এর আগে মহানুভবতার পরিচয় দিয়ে গত ১এপ্রিল রামকৃষ্ণ মিশনের এই ত্রাণকার্যে এবার সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন বিসিসিআইয়ের সভাপতি বাংলার আইকন তথা প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। ২ হাজার কেজি চাল নিয়ে পৌঁছে গিয়েছিলেন বেলুড় মঠে। এখানেই শেষ নয়। গত শনিবার আরও একবার করোনা মোকাবিলায় কল্পতরু হয়ে ওঠেন মহারাজ সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। কলকাতার ইসকন সেন্টারে গিয়ে ১০ হাজার মানুষের অন্ন সংস্থানের ব্যবস্থা করেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ