স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: সবে শুরু। শনিবার থেকেই বামপন্থী ছাত্র যুব সংগঠনগুলি ফের আন্দোলন কর্মসূচিতে যাচ্ছে। শুক্রবারে মিছিলটি উপর পুলিশি হামলার প্রতিবাদে রাজ্যের দিকে দিকে ধিক্কার কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।

এস এফ আই নেতা প্রতীক উর রহমান জানিয়েছেন, ” অনেকেই ফোন করছেন, সৃজন (ভট্টাচার্য), আমি কেমন আছি। সকলের ফোন ধরতে পারছি না। সবে এন আর এস থেকে বের হলাম সৃজন এর মাথায় সেলাই পড়েছে। এখন ঠিক আছে। ICU-তে নেই (অনেকেই বলছে)। বহু কমরেডকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না নেতৃত্ব প্রায় সকলেই আহত হয়েছেন। তার মাঝে কমরেডদের মেজাজ সত্যি অনেকটাই সুস্থ করেছে। এ লড়াই শুরু, জানকবুল লড়াই এখনো বাকি।

জবাব দিতে হবে, নাহলে আমরা জানি জবাব কিভাবে আদায় করতে হয়।” সিপিএম পলিটব্যুরো সদস্য মহাম্মদ সেলিম পুলিশের ভূমিকার কড়া নিন্দা করেছেন। তাঁর বক্তব্য, “চারিদিকে দেখছি দিদিকে বলো। মুখ্যমন্ত্রীকে তো ইরা বলতেই গিয়েছিল। নবান্ন একটা সরকারি অফিস। তার তিন কিলোমিটার আগে আটকে পুলিশ লেলিয়ে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।” সেলিম আরও জানান, “নবান্ন একটা দুর্গে পরিণত হয়েছেন। ওখানে কেউ যেতে পেতে না। উনি (মুখ্যমন্ত্রী) দুর্নীতি করবেন বলেই ঐখানে গিয়েছেন।” বাড়ির ছাদ থেকে বাম ছাত্র যুবদের মিছিলের উপর আক্রমণের নিন্দা করে বিবৃতি দিয়েছেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু।

শুক্রবার, একটি প্রেস বিবৃতিতে তিনি জানিয়েছেন, স্বল্প খরচে শিক্ষা ও কাজের দাবিতে বারোটি বামপন্থী ছাত্রযুব সংগঠন বৃহস্পতিবার সিঙ্গুর থেকে যে নবান্ন অভিযান শুরু করেছিল। সেই মিছিলে পার্শ্ববর্তী বাড়ির ছাদ থেকে আক্রমণ চলেছে। প্রসঙ্গত, বিমানবাবু যা বলেছেন, সেই কথা মিছিলকারীরাও জানিয়েছে। সিঙ্গুর থেকে নবান্ন – বাম ছাত্র-যুব আন্দোলন যখন হাওড়ার মল্লিক ফটকে পৌঁছেছে, তখনই এলাকার উঁচু বাড়ির ছাদ থেকে করা যেন ইটবৃষ্টি শুরু হয়েছে। অভিযোগ, বাড়ির উপর থেকেই বোমা ছুঁড়ে মারা হয়। কিন্তু করা এইসব করেছে? বাম ছাত্র যুব সংগঠন গুলির অভিযোগ , ছাদের উপর তৃণমূল-বিজেপি হাত মিলিয়েছে।

বাম মিছিলের উপর ইট বোমা ছুড়েছে। ঘটনা ঘটেছে পুলিশের চোখের সামনেই। প্রায় দেড় ঘন্টার তাণ্ডবের পর আহত ছাত্র ছাত্রীদের হাওড়া হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছে পুলিশ। এদিকে মিছিলকারীরা আদালতে যাওয়ারও সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শুক্রবারের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সারা দেশ জুড়ে আন্দোলনের ডাক দিয়েছে এসএফআই। শনিবার সারা দেশেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিরোধী মিছিল।