হাওড়া : এ যেন নবীন আর প্রবীণের মহামিলোনৎসব। বাম ছাত্র সংগঠনের সুবর্ণ জয়ন্তীর সমাপ্তি অনুষ্ঠানে এছবিই উঠে এলো হাওড়ায়। ভারতের ছাত্র ফেডারেশনের সুবর্ণ জয়ন্তী বর্ষের সমাপ্তি উপলক্ষ্যে জেলায় জেলায় পথে নেমেছেন ছাত্র-যুবরা। তাদের সাথে পা মিলিয়েছেন সংগঠনের প্রাক্তনীরাও। বুধবার সংগঠনের ৫০ বছরের সমাপ্তি উপলক্ষ্যে হাওড়া শহরেও এসএফআইয়ের তরফে একাধিক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল।

বুধবার দুপুরে হাওড়ার কদমতলা থেকে বঙ্কিম পার্ক অব্ধি বিশাল পদযাত্রায় পা মেলান হাজার দু’য়েক বাম কর্মী-সমর্থক। এদিন নবীনের পাশাপাশি প্রবীণদের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো। হাতে ঝান্ডা, মুখে স্লোগান, চোখে নস্টালজিয়ার ছাপ। এনিয়েই মিছিল এগোতে থাকে গন্তব্যস্থলের পথে। মিছিলের শেষে বঙ্কিম পার্কে বিশাল সমাপ্তি সভার আয়োজন করা হয়। এদিন এসএফআইয়ের তরফে বেশ কয়েকজনকে সংবর্ধনা জানানো হয়। এর পাশাপাশি, বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়। এদিনের সভায় উপস্থিত ছিলেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু, বামফ্রন্ট নেতা দীপক দাশগুপ্ত, বিপ্লব মজুমদার, শ্রীদীপ ভট্টাচার্য সহ অন্যান্যরা। আয়োজকরা জানান, আমাদের আপোষহীন লড়াইয়ের ৫০ বছরের এই সমাপ্তি অনুষ্ঠানে নবীনের পাশাপাশি প্রবীণদের উপস্থিতি আমাদেরকে ভীষণভাবে উজ্জীবিত করেছে।

প্রস্তুতি আগেই শুরু হয়েছিল। এসএফআই-এর ৫০ বছর উপলক্ষে দুর্গাপুরে সোমবার মিছিল করেন এসএফআই নেত্রী তথা জেএনইউ বিশ্ববিদ্যালয়ের নেত্রী ঐশী ঘোষ। দুর্গাপুর আইটিআই কলেজ থেকে বেঙ্গল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ বিধান নগর পর্যন্ত এই মিছিল হয়। মিছিল শেষে দুর্গাপুরে একটি সভাও করেন ঐশী।

তিনি বলেন, “এসএফআইয়ের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে এই মিছিল ও সভা। দেশে যে শিক্ষানীতি আসছে তার বিরুদ্ধে আজকের এই মিছিল। পাশাপাশি ধর্মীয় বিভাজন করে দেশকে বিপদের মুখে ঠেলে নিয়ে যাওয়ার যে চেষ্টা হচ্ছে তার বিরুদ্ধে তাদের এই ৫০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠান। ঐশী আরও বলেন, “২৬ নভেম্বর ভারত বন্‌ধের সময় যে ভাবে এই জেলায় পুলিশ নির্মম ভাবে লাঠিচার্জ করেছে ছাত্র-যুবদের উপর তার প্রতিবাদে মিছিল ও সভা থেকে আওয়াজ উঠছে।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.