ফারহান আখতার ও বিদ্যা বালান অভিনীত সাদি কে সাইড এফেক্ট ছবিটার কথা মনে আছে? ছবির শুরুতে দেখা গিয়েছিল দুই বিবাহিত ব্যক্তি হোটেলে একে অপরের সঙ্গে পরিচিত হচ্ছে এবং হোটেলের ঘরে মিলিত হচ্ছে। বিষয়টি নজরে পড়লে তাঁদের সাবধান করতে আসেন হোটেলের ম্যানেজার। তখন সেই ম্যানেজার এবং দর্শকেরা জানতে পারেন যে হোটেলে যৌনতায় লিপ্ত হওয়া দু’জন আসলে দম্পতি। দাম্পত্য জীবনে নতুনত্বের ছোঁয়া দিতে অভিনয়ের আশ্রয় নিয়েছে।

রোজদিনের একঘেয়ে যৌন এবং দাম্পত্য জীবন থেকে মুক্তি পেতে এই ধরণের অভিনয় খুবই উপকারী বলেই মনে করছেন যৌন বিশেষজ্ঞরা। সম্প্রতি ব্রিটেনের দ্যা সান পত্রিকায় সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে এমনই একটি প্রতিবেদন। সেই প্রতিবেদন অনুসারে যৌন বিশেষজ্ঞ পাম স্পার বলেছেন, “সুন্দর যৌন জীবনের জন্য যৌন সঙ্গীর ছলনা বা চাটুকারিতা বিশেষ আকর্ষক।” এই প্রসঙ্গে বেশ কয়েকটি উদাহরণ রয়েছে। ধরা বাধা নিয়মের বাইরে বেড়িয়ে করা যেকোনো কাজে আনন্দ বেশিই থাকে। আনন্দের থেকে বেশি থাকে রোমাঞ্চ। পুরুষ সঙ্গী সম্পূর্ণ অচেনা ব্যক্তি হিসেবে বাড়িতে এল। অচেনা ব্যক্তি হিসেবেই তাঁর সঙ্গে শুরু হল বার্তালাপ। এরপর তাঁকে নানান কথার কৌশলে বিছানায় নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে আনন্দ এবং রোমাঞ্চ দু’টিই বেশ আকর্ষক। একইরকমভাবে সেলস গার্লের ছদ্মবেশে বাড়িতে এলেন সঙ্গিনী। নিজের মাল বিক্রির উদ্দেশ্যে যৌনতাকে ছল হিসেবে ব্যবহার করল মেয়েটি।

পর্ণগ্রাফি বা বাংলার বটতলার চটি বইতে এই ধরণের গল্প থাকে। রোমাঞ্চকর হলেও এই প্রকারের সামাজিক অপরাধ করার সাহস বা ক্ষমতা হয় না কারোরই। সেই সুযোগ যদি নিজের সঙ্গীর থেকেই পাওয়া যায়, তাহলে আর সমস্যা কোথায়? উপযুক্ত অভিনয় দক্ষতা থাকলে, এবং তা ধরে রাখার ক্ষমতা থাকলেই কেল্লাফতে।