কোলনে: ম্যাচের পঞ্চম মিনিটে গোলের খাতা খুলে দলের খেতাব জয়ের সম্ভাবনা উসকে দিয়েছিলেন লুকাকু। ৭৪ মিনিটে সেই বেলজিয়ানের গোলেই স্বপ্নভঙ্গ ইন্টার মিলানের। তবে দ্বিতীয় ক্ষেত্রে লুকাকুর গোলটা অবশ্যই আত্মঘাতী। ইউরোপা লিগের উত্তেজক ফাইনালে ইতালির দলটিকে ৩-২ গোলে হারিয়ে ষষ্ঠবারের জন্য ইউরোপা লিগ খেতাব ঘরে তুলল স্পেনের ক্লাব সেভিয়া। এক্ষেত্রে নিজেদের রেকর্ড নিজেরাই বাড়িয়ে নিল তারা।

ইতালির ক্লাবে রোমেলু লুকাকুর প্রথম মরশুম শেষ হল অ্যান্টি-ক্লাইম্যাক্সে। ইউরোপা লিগের ইতিহাসে সর্বাধিক টানা ১১ ম্যাচে গোল, চলতি মরশুমে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর রেকর্ড ছুঁয়ে সবধরনের প্রতিযোগীতা মিলিয়ে ক্লাবের হয়ে ৩৪টি গোল। নায়কের মতোই খেতাব জিতে মরশুম শেষ করার কথা ছিল এভার্টন, ম্যান ইউ’য়ের প্রাক্তনীর। কিন্তু দিয়েগো কার্লোসের বাইসাইকেল কিকে একটা ছোট্ট টোকা খলনায়ক বানিয়ে দিল লুকাকুকে।

জার্মানির কোলনেতে পাঁচ গোলের থ্রিলার ফাইনালে গোলের প্রথম খাতা খোলে ম্যাচের ৫ মিনিটে। বল ধরে বক্সে আগুয়ান লুকাকুকে বক্সের মধ্যে পিছন থেকে অবৈধভাবে বাধা দেন বিপক্ষ ডিফেন্ডার দিয়েগো কার্লোস। পেনাল্টি পায় ইন্টার। স্পটকিক থেকে ঠান্ডা মাথায় বল জালে রাখেন লুকাকু। এরপর টানটান প্রথমার্ধে সেভিয়ার সেমিফাইনাল জয়ের নায়ক লুক দি জং জ্বলে ওঠেন মেগা ফাইনালেও। ১২ মিনিট এবং ৩৩ মিনিটে তাঁর জোড়া হেডার চ্যাম্পিয়নশিপ ম্যাচে এগিয়ে দেয় স্পেনের ক্লাবটিকে।

প্রথম গোলের ক্ষেত্রে জেসাস নাভাসের ক্রস থেকে এবং দ্বিতীয় গোলের ক্ষেত্রে এভার বানেগার ফ্রি-কিক থেকে লুপিং হেডারে গোল করে যান ডাচম্যান জং। যদিও ম্যাচে সেভিয়ার এগিয়ে যাওয়া দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। কারণ জং’য়ের দ্বিতীয় গোলের দু’মিনিটের মধ্যেই মার্সেলো ব্রোজোভিচের ঠিকানা লেখা ফ্রি-কিক থেকে হেডে সমতা ফেরান দিয়েগো গোডিন। ২-২ শেষ হয় প্রথমার্ধ।

বিরতির পর খেলার গতি কিছুটা কমে আসে। ৬৫ মিনিটে দ্বিতীয়ার্ধের প্রথম ইতিবাচক গোলের সুযোগ আসে লুকাকুর কাছেই। মাঝমাঠ থেকে বল ধরে দিয়েগো কার্লোসকে গতিতে পরাস্ত করলেও বিপক্ষ গোলরক্ষককে টপকে নিজের দ্বিতীয় গোল তুলে নিতে ব্যর্থ হল বেলজিয়ান স্ট্রাইকার। উলটে ৭৪ মিনিটে বক্সের মধ্যে দিয়েগো কার্লোসের ওভারহেড কিক গোলপোস্টের বাঁ-দিক দিয়ে বাইরে চলে যাওয়ার আগের মুহূর্তে ক্লিয়ারেন্সের জন্য টোকা দেন লুকাকু। কিন্তু লুকাকুর পায়ে লেগে বল জড়িয়ে যায় জালে।

৮২ মিনিটে সেই গোল শোধ করার সেরা সুযোগ এসেছিল ইন্টারের কাছে। তবে সেই সুযোগ গোললাইন সেভ করে খেলা অতিরিক্ত সময়ে গড়াতে দেননি জুলেস কৌন্দে। সেভিয়ার পক্ষে ৩-২ ব্যবধানই ম্যাচের চূড়ান্ত ফলাফল হিসেবে বিবেচিত হয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.