আগরতলা: বেকারত্ব দূর করতে প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীদের চমকপ্রদ বয়ানবাজি চলছেই৷ কেউ বলেছেন তেলেভাজা শিল্প৷ কারোর কাছে চপ ভাজা শিল্প৷ নরেন্দ্র মোদী ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেখানো সেই পথ ধরেই এবার কর্মসংস্থান ও বিরাট অংকের রোজগারের স্বপ্ন দেখিয়ে বেকারদের পানের দোকান খুলতে পরামর্শ দিলেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব৷

আরও পড়ুন: ‘ঐশ্বর্যা ফর্সা বলেই বেশি পছন্দ বিপ্লবের’

সদ্য রাজ্যে ২৫ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে বিপ্লববাবুর নেতৃত্বে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি-আইপিএফটি জোট৷ নতুন মুখ্যমন্ত্রী হয়েই একের পর এক চমকপ্রদ মন্তব্য করছেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী৷ আগরতলায় এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, বেকাররা সরকারি চাকরির সন্ধানে সময় ব্যয় না করে পানের দোকান খুললেই রোজগার বাড়ত৷ ব্যাংকে কম করেও ৫ লাখ টাকা জমা থাকত৷ এমনই নিদান দিলেন ত্রিপুরার নতুন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব৷

বিভিন্ন সংবাদ সংস্থা জানাচ্ছে, মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের বেকারদের জন্য সুখবর শোনাচ্ছিলেন৷ তখন তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী মুদ্রা যোজনা পরিকল্পনায় কর্মসংস্থানের জন্য ঋণ দানের সুবিধা দিচ্ছে কেন্দ্র সরকার৷ এর মাধ্যমে যে কেউ সম্মানজনক পেশা বেছে নিয়ে জীবন গড়ে তুলতে পারেন৷

আরও পড়ুন: মহাভারতের সময়েও ছিল ইন্টারনেট-স্যাটেলাইট যোগাযোগ: মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব

অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী মুদ্রা যোজনার অন্তর্গত কোনও বেকারকে ৭৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়া হয়৷ নামমাত্র সুদে এই ঋণ নিয়ে যে কেউ মাসের শেষে কম করে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত উপার্যন করতে পারেন৷ এর পরেই বিগত বাম শাসনকে কটাক্ষ করে কিন্তু ত্রিপুরায় গত ২৫ বছরের উদাহরণ টেনে আনেন মুখ্যমন্ত্রী৷ তাঁর দাবি, গত সরকারের আমলে এমন মনোভাব তৈরি করে দেওয়া হয়েছিল যে স্নাতক যুব সম্প্রদায় যদি চাষ কাজ করেন, বা পোলট্রি ফার্ম করেন তাহলে তাঁর সম্মানহানি হবে৷ এটা একধরণের ভুল চিন্তা৷

মুখ্যমন্ত্রী হয়েই একের পর এক বয়ানেও চমক তৈরি করেছেন বিপ্লব দেব৷ তিনিই জানিয়েছেন, মহাভারতের যুগে ইন্টারনেট ছিল৷ সিভিল সার্ভিস ও সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংকে একসঙ্গে জুড়ে দিয়েছেন চমকপ্রদ তথ্য৷ শুধু তাই নয়, বিশ্বসুন্দরী মহিলার ত্বকের রঙ নিয়েও দিয়েছেন বিশেষজ্ঞ কমেন্ট৷ এসব নিয়ে বিতর্ক চলছে দেশজুড়ে৷ তারই মাঝে মুখ্যমন্ত্রীর নিদান, চাকরির সন্ধানে সময় না নষ্ট করে কর্মপ্রার্থীরা পানের দোকান খুলে নিলেই ব্যাংক ব্যালেন্স বাড়ে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।