পুনে:বৃহস্পতিবারের অগ্নিকাণ্ডের জেরে ভ্যাক্সিন প্রস্তুতকারী সংস্থা সেরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়ার ক্ষতির পরিমাণ এক হাজার কোটি টাকা। প্রতিষ্ঠানের সিইও আদার পুনাওলা জানিয়েছেন, অগ্নিকাণ্ডের জেরে ক্ষতির পরিমাণ এক হাজার কোটি টাকার বেশি কারণ বেশ কিছু জিনিস এবং সরঞ্জাম এই নতুন ফেসিলিটি থেকে উদ্বোধন করানোর কথা ছিল।

তিনি জানান, সেরাম ইনস্টিটিউটে তৈরি হচ্ছিল বাজারে আনার জন্য, নতুন পণ্য যেমন বিসিজি ভ্যাকসিনএবং রোটাভাইরাস ভ্যাকসিন, এরফলে এখন একটা বড় ক্ষতি হয়ে গেল। এখান থেকেই ওই ভ্যাকসিন বিদেশে রফতানি হত। এই পরিস্থিতিতে অন্য কোথাও থেকে তা প্রস্তুত করার কথা ভাবতে হচ্ছে । তবে এই অগ্নিকাণ্ডের জন্য করোনা প্রতিষেধক কোভিশিল্ড উৎপাদন, মজুত ও সরবরাহে কোনও প্রভাব পড়বে না বলে পুনাওলা ব্যাখ্যা করেছেন। এটা একটা আর্থিক ক্ষতি তবে এর জন্য কোনও ভ্যাক্সিন সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটবে না বলে তিনি জানান।

এদিকে সেরাম ইনস্টিটিউটের সিএমডি সাইরাস পুনাওলা জানান,যখন সেখানে আগুণ লেগেছিল তখন সেখানে কোনও ভ্যাকসিন উৎপাদন হচ্ছিল না এবং সেদিক থেকে ভাগ্য ভাল যে ভবনটিতে আগুণ লেগেছিল সেখানে কোভিশিল্ড ভ্য়াকসিন তৈরি হচ্ছিল না।

সেরাম ইনস্টিটিউটের সিইও জানান, ক্ষতি হয়েছে বিসিজি ভ্যাকসিনএবং রোটাভাইরাস ভ্যাকসিন এর ফাইলিং লাইন এবং বাল্ক প্রোডাকশন লাইনে যেটা নতুন ভবনে বসানো হচ্ছিল। ক্ষতি হয়েছে মূলত ভবিষ্যত উৎপাদন ক্ষমতা সম্প্রসারণের কাজে বলে তিনি জানান।

মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে ইতিমধ্য়ে পুনেতে সেরাম ইনস্টিটিউট পরিদর্শনে যান শুক্রবার এবং জানান এটাই স্বস্তির যে যেখানে কোভিড -১৯ ভ্য়াকসিন তৈরি হয় সেখানে আগুণ লাগেনি ও তা সুরক্ষিত রয়েছে। তিনি জানান,এই ঘটনার তদন্ত চলছে তা খতিয়ে দেখার যে এটা কোনও দুর্ঘটনা নাকি অন্তরঘাত। তাই আপাতত তদন্ত রিপোর্ট পাওয়া অবধি অপেক্ষা করছে এবং এই ব্যাপারে কোনও রকম অনুমান ভিত্তিক মন্তব্য় করতে চান না।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।