নয়াদিল্লি: মহারাষ্ট্রের পুনের সেরাম ইন্সটিটিউটের নয়া আবিষ্কার। তাদের তৈরি বিশেষ কিট ঘন্টায় ৩২টি করোনা পরীক্ষা করতে সক্ষম বলে জানানো হয়েছে। মঙ্গলবারই এই কিট লঞ্চ করা হয়েছে সংস্থার পক্ষ থেকে। কিটটি স্বয়ংক্রিয় বলে খবর। অটোমেটেড মলিকিউলার কোভিড টেস্ট মেশিনটি উদ্বোধন করে সংস্থার সিইও অদর পুনাওয়ালা জানান, এই মুহুর্তে ভারতে এরকম কিট সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।

সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে এই টেস্ট কিট সেরাম ইন্সটিটিউট ও মাইল্যাব ডিসকভারির যৌথ প্রয়াস। প্রতিটি ল্যাবকে ১০০০ টাকা করে প্রতি টেস্ট দিতে হবে। সাধারণ মানুষকে দিতে হবে ২৫০০ টাকা।

মাই ল্যাব সলিউশনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে এই টেস্ট মেশিনের দুটি ধরণ রয়েছে। মাইল্যাবের ডিরেক্টর হাসমুখ রাওয়াল জানান বড় মেশিনটির দাম ৪০ লক্ষ ও ছোট মেশিনটির দাম তার থেকে কম। উল্লেখ্য ছোট মেশিনটিতে প্রতি ঘন্টায় ৮টি টেস্ট করা যাবে।

সংস্থাদুটি মনে করছে এই মেশিনের সাহায্যে করোনার পরীক্ষার কাজে গতি আসবে। যে সংখ্যা একদিনে টেস্ট করা হবে, মেশিন ছাড়া সেই সংখ্যায় টেস্ট করতে তিনদিন সময় লাগবে, জানাচ্ছে সংস্থা।

তবে এর আগে, থাইরোকেয়ার জানায়, এবার থেকে করোনা প্রতিরোধক অ্যান্টিবডি শরীরে রয়েছে কীনা, তা পরীক্ষা করবে তারা। এই পরীক্ষার নাম দেওয়া হয়েছে কোভিড অ্যান্টিবডি টেস্ট।

এই পরীক্ষায় দেখা হবে কোনও ব্যক্তির শরীরে করোনা ভাইরাসের অ্যান্টিবডির উপস্থিতির পরিমাণ কতটা। এবার প্রশ্ন কোনও ব্যক্তির শরীরে করোনা ভাইরাসের অ্যান্টিবডি কীভাবে তৈরি হবে। এই ল্যাব জানাচ্ছে যদি কখনও আগে করোনা ভাইরাস কম শক্তিশালী চরিত্র নিয়ে শরীরে প্রবেশ করে, তবেই কোনও ব্যক্তির শরীরে কোভিড অ্যান্টিবডি তৈরি হতে পারে।

কম শক্তিশালী চরিত্রের করোনা ভাইরাস আগে শরীরে প্রবেশ করলে, তা থেকে কোনও মারণ রোগের উৎপত্তি হওয়ার কথা নয় বলেই জানাচ্ছে থাইরোকেয়ার। এই সংস্থা পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে কোভিড অ্যান্টিবডি টেস্টের মাধ্যমে কোনওভাবেই করোনা টেস্ট করা হচ্ছে না। এটা শুধুমাত্র শরীরের অ্যান্টিবডি লেভেলের পরিমাণ জানাবে। এরই সাথে জানা যাবে পূর্বে ওই ব্যক্তি করোনা আক্রান্ত হয়েছিল কীনা।

এই টেস্ট কিট ইতিমধ্যেই আইসিএমআরের ছাড়পত্র পেয়েছে। বেশ কিছু বড় শহরে এই পরীক্ষা তারা চালাচ্ছে বলে জানিয়েছে থাইরোকেয়ার। একটি কোভিড অ্যান্টিবডি টেস্ট করাতে খরচ পড়ছে ৬০০ টাকা। ২৪ ঘন্টার মধ্যে এই পরীক্ষা রিপোর্ট চলে আসছে বলে জানানো হয়েছে সংস্থার তরফ থেকে

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ