প্রতীকী ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, বারুইপুর: উনুনের আগুনে পুড়ে গুরুতর জখম হলেন এক গৃহবধূ। তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে জখম হলেন তাঁর স্বামী৷ ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগণার ক্যানিং থানার তালদি শিব নগর গ্রামে। স্ত্রীর নাম ফতেজা গাজী ও স্বামীর নাম খতিব গাজী৷ গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁদের দুজনকেই ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে ভরতি করা হয়৷ আগুনে ফতেমা গাজীর শরীরের প্রায় সত্তর শতাংশ পুড়ে গিয়েছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার দিন সিল্কের কাপড় পরে উনুনে রান্না করছিলেন ফতেমা গাজী৷ তখনই অসাবধানতা বশত উনুনের আগুন কাপড়ে লেগে যায়। সেই সময় বাড়িতে কেউ ছিল না৷ তিনি আতঙ্কিত হয়ে পড়েন৷ কী করবেন না ভেবে উঠতে পারছিলেন না তিনি৷ আর এরই মধ্যে আগুন তাঁর শরীরের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। এর কিছুক্ষণের মধ্যে তাঁর স্বামী খতিব গাজী বাড়িতে আসে৷

স্ত্রীকে আগুনে পুড়তে দেখে ভিজে কাপড় এনে চাপা দিয়ে কোনরকমে উদ্ধার করেন তাঁকে। সেই সময় ওই আগুনে খতিব গাজীরও ডান হাত পুড়ে গিয়েছে৷ স্বামী-স্ত্রীর চিৎকার চেঁচামেচিতে ঘটনাস্থলে প্রতিবেশীরা আসে৷ তাঁরা এসে দুজনকে উদ্ধার করে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে ভরতি করেন। বর্তমানে ফতেমা গাজীর অবস্থা আশঙ্কাজনক৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।