ঢাকা: সারেগামাপা রিয়্যালিটি শো-তে এসে বিশেষ জনপ্রিয়তা পেয়েছেন বাংলাদেশের সঙ্গীতশিল্পী নোবেল। তবে শো শেষ হতেই একের পর এক অভিযোগ উঠছে নোবেলের বিরুদ্ধে। কয়েকদিন আগেই রবীন্দ্রনাথকে অবমাননার অভিযোগে শিরোনামে ছিলেন তিনি। এবার তাঁর বিরুদ্ধে আরও গুরুতর অভিযোগ।

বাংলাদেশের এক সংবাদমাধ্যম ‘দেশ রিভিউ’ দাবি করেছে যে নোবেলের বিরুদ্ধে প্রেম ও সর্বস্ব লুটের অভিযোগ এনেছে ১৬ বছর বয়সী এক ছাত্রী। সেই ছাত্রী জানিয়েছে গোপালগঞ্জে থাকার সময় থেকে নোবেলের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এমনকি বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে নোবেল তার দৈহিক সম্পর্কেও মিলিত হয় বলে অভিযোগ কিশোরীর।

সম্প্রতি নোবেলের একটি আপত্তিকর ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। এরপরই বিষয়টি প্রথম প্রকাশ্যে আসে। ওই ছাত্রীর সঙ্গে সংবাদমাধ্যমটি যোগাযোগও করেছিল। সে, নোবেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলে, গত পাঁচ বছর সে বাবার চাকরি সূত্রে আমি গোপালগঞ্জে ছিলাম। সারেগামাতে যাওয়ার ছ’মাস আগে নোবেলের সঙ্গে তার পরিচয়। মিথ্যা প্রেমের জালে তাকে ফাঁসানো হয়েছিল বলে জানিয়েছে সে।

সেই ছাত্রী এরকমও জানিয়েছে যে, এই ছেলে অনেকবার ড্রাগস নিয়েছে, মাতাল অবস্থায় গোপালগঞ্জের যেখানে সেখানে পড়ে থাকতো। এভাবে অনেক মেয়ের জীবন নষ্ট করেছে নোবেল।

সারেগামাপা শেষে একটি সাক্ষাৎকারে নোবেল বলেন, প্রিন্স মাহমুদের লেখা আমার সোনার বাংলাকেই বেশি ভালোবাসেন তিনি। তিনি মনে করেন রবীন্দ্রনাথের সোনার বাংলা নয়, মাহমুদের সোনার বাংলার সঙ্গেই সেই দেশের আবেগ জড়িয়ে আছে। এমনটাই তাঁর ব্যক্তিগত মতামত। আর এই নিয়েই হয় বিতর্ক।

সারেগামাপা-তে অনুষ্ঠানে নোবেলের গান বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল অনেকের কাছে। অনেকে চেয়েছিলেন অনুষ্ঠানের বিজেতা হোক নোবেল। বাংলাদেশের শিরে উঠুক ভারতীয় সংস্কৃতির পালক। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা হয়নি। বরং নোবেল দ্বিতীয় রানার্স আপ হয়েছেন। ঘটনাটির মধ্যে দিয়ে বিষণ্ণ হয়েছেন তাঁর অজস্র ভক্ত।

কিন্তু, তাই বলে নোবেলের এমন ‘উটকো’ মন্তব্যকে মেনে নিতে পারছেন না কেউই। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই মন্তব্যের মধ্যে দিয়ে তিনি সমগ্র বাঙালি জাতিকেই অপমান করেছেন। যেখানে রবীন্দ্রনাথের নাম জড়িয়ে আছে, সেই জাতীয় সঙ্গীতকেও কালিমালিপ্ত করেছেন বাংলাদেশের এই নাগরিক।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।