রোম: গত মাসে আন্তর্জাতিক ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের বোর্ড মিটিংয়ে চূড়ান্ত হয় সিদ্ধান্তটি। করোনা পরবর্তী সময় ফুটবলারদের নিরাপত্তার কথা ভেবে সাময়িক ফুটবলার পরিবর্তনের নিয়মে সংশোধন এনেছে আইএফএবি। অর্থাৎ করোনা পরবর্তী সময় যে সব লিগ শুরু হচ্ছে পুনরায়, চাইলে তারা তিন থেকে বাড়িয়ে পাঁচ ফুটবলার পরিবর্তনের নিয়ম কার্যকর করতে পারে। যদিও এই নিয়ম কার্যকর হবে কীনা, সেটা সম্পূর্ণ নির্ভর করছে বিভিন্ন দেশের ফুটবল গভর্নিং বডি কিংবা লিগ কর্তৃপক্ষের উপর।

আইএফবিএ’র মিটিংয়ে সিদ্ধান্তটি গৃহীত হওয়ায় সবার প্রথমে ইংলিশ প্রিমিয়র লিগ কর্তৃপক্ষ বাকি মরশুমের জন্য এই নিয়ম কার্যকর করে। এবার ইপিএল্র পদাঙ্ক অনুসরণ করে পাঁচ পরিবর্তনের নিয়ম কার্যকর করার পথে ইতালিয়ান সিরি-‘এ’ ও। শুক্রবার পাঁচ পরিবর্তনের নিয়ম কার্যকর করার কথা ঘোষণা করল ইতালিয়ান ফুটবল ফেডারেশন। অর্থাৎ, চলতি মাসের ২০ তারিখ থেকে শুরু হতে চলা রোনাল্ডোদের লিগ শুরু হবে নয়া নিয়মকে সঙ্গী করে। অর্থাৎ ম্যাচে দু’দলই সর্বোচ্চ পাঁচটি করে পরিবর্তন করতে পারবে।

এর আগে ইপিএলের অবশিষ্ট ম্যাচগুলোর জন্য দৃষ্টান্তমূলক এই পদক্ষেপ গ্রহণ করে ইপিএল কর্তৃপক্ষ। স্টকহোল্ডারদের সঙ্গে বৃহস্পতিবার এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পর আন্তর্জাতিক ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের নয়া সিদ্ধান্তকে নিজেদের লিগে স্বাগত জানায় প্রিমিয়র লিগ কর্তৃপক্ষ। যদিও এই সিদ্ধান্ত কেবল চলতি মরশুমের বাকি সময়ের জন্যই। উল্লেখ্য, আগামী ১৭মার্চ অর্থাৎ সিরি-‘এ’র ঠিক তিনদিন আগে পুনরায় চালু হচ্ছে স্থগিত হয়ে যাওয়া ইংল্যান্ডের প্রিমিয়র ডিভিশন ফুটবল লিগ।

একইসঙ্গে ইতালির ক্রীড়ামন্ত্রী ভিনসেঞ্জো স্পাদাফোরা আগামী ২০ জুন থেকে দেশে প্রিমিয়র ডিভিশন ফুটবল লিগ চালু করার ব্যাপারে সবুজ সংকেত প্রদান করেন গত সপ্তাহেই। করোনার জেরে ৯ মার্চ স্থগিত হয়েছিল সিরি-‘এ’। করোনা পরবর্তীতে পুনরায় দেশে ফুটবল চালু করতে গত সপ্তাহে ইতালিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের সঙ্গে কনফারেন্স কলে আলোচনা সারেন স্পাদাফোরা। বৈঠকের নির্যাস প্রসঙ্গে স্পাদাফোরা সাংবাদিকদের জানান, ‘ইতালিতে পুনরায় ফুটবল চালু হচ্ছে।’

একইদিনে অর্থাৎ ২০ জুন দ্বিতীয় ডিভিশন অর্থাৎ সিরি-‘বি’র ম্যাচও পুনরায় শুরু করা হবে। তবে ফুটবল ফিরলেও সেটা অবশ্যই দর্শকহীন স্টেডিয়ামে। সিরি-‘এ’র অধিকাংশ দলের এখনও বাকি ১২টি করে ম্যাচ। ২৬ ম্যাচে ৬৩ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে জুভেন্তাস। ৬২ পয়েন্ট নিয়ে কাঁধে নিঃশ্বাস ফেলছে ল্যাজিও।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প