দিল্লি: খুনের নেশায় বহু মানুষই ইতিহাসে সিরিয়াল কিলার-এর তকমা পেয়েছে। বিনা দোষে হয়তো অনেকে শাস্তিও পেয়েছে। তবে কেউ কেউ আবার ছিলেন মানসিক রোগী। কারো বা খুন করাটাই ছিল নেশা। ইতালিতে জন্ম নেওয়া এই নারীর নাম কেন উঠে এসেছে সিরিয়াল কিলারদের তালিকায় জানলে চমকে যাবেন বিশেষতঃ মেয়েরা। ইতালির লিওনার্দা সিয়ানসিউলি যে শুধু মানুষই ই খুন করতেন, তা কিন্তু নয়। তার মানসিকতা এতটাই বিকৃত ছিল যে তিনি মানুষ খুন করে সেইসব মৃতদেহের হাঁড়-চর্বি-মাংস দিয়ে আবার তিনি নিজেই সাবান এবং কেক বানাতেন।

তার জন্ম স্বাভাবিকভাবে হয়নি। বিয়ের আগেই বাবার হাতে ধর্ষিত হয়েছিলেন তার মা এমিলি। তাদের ঔরসজাত সন্তানই ছিলেন লিওনার্দা। বড়লোক বাড়ির মেয়ে এমিলি বিয়ে হয়ে এসে বস্তিতে মানিয়ে নিতে পারছিলো না । এমিলি তার বিবাহ পূর্ব সন্তানকেই তার কষ্টের জন্য দায়ী করত সব সময়। শিশুটির জন্মের পর থেকেই তাকে খুবই নির্যাতন করত সে। সারাক্ষণ মারামারি আর বকা খেয়েই বেড়ে উঠছিল শিশুটি। মাত্র ১০ বছর বয়সেই আত্মহত্যা করতে গিয়েছিল নিজেকে সব কিছুর জন্য দায়ী ভাবা সেই ছোট্ট শিশু ওরফে লিওনার্দা। তার জীবনও ছিল দুঃখের। লিওনার্দা তার বৈবাহিক জীবনে মোট ১৭ বার গর্ভবতী হন। কিন্তু দুঃখের বিষয় এই যে, তা গর্ভজাত সন্তানদের মধ্যে মাত্র ৪ জন সন্তান জীবিত ছিল। বাকিদের অনেকেই গর্ভাবস্থায় থাকাকালীন মারা গেছে অথবা শৈশবেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছে।

লিওনার্দার সবচেয়ে বড় ছেলে ছিল জিসেপি যে তার খুব কাছের ছিল। ২য় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন অন্যান্য তরুণ ইটালিয়ানের দেখে সেও ইটালিয়ান সেনাবাহিনীতে অংশগ্রহণ করতে চাইল। এতেই ঘুম উড়ে গেলো তার মায়ের। অনেক চেষ্টা করেও জিসেপির যাওয়া সে আটকাতে পারেনি। হঠাৎ একদিন তার মাথায় এলো, প্রাণের বদলে উৎসর্গ করতে হবে প্রাণ। মানুষের বদলে মানুষের প্রাণই উৎসর্গ করতে হবে তাকে। তার এলাকার একটি অবিবাহিত মেয়ে ফস্টিনা সেতিকেই লিওনার্দা বানালেন টার্গেট।

লিওনার্দা ফস্টিনাকে বললেন যে তিনি ফস্টিনার জন্য একজন বিবাহযোগ্য পাত্র খুঁজে পেয়েছেন কিন্তু তাকে যেতে হবে ‘পুলা’ শহরে। লিওনার্দার কথা মতো সে গেলো ও যাওয়ার আগে বিয়ের কথা সবাইকে চিঠিতে জানিয়ে দিলো। লিওনার্দার সঙ্গে দেখা করার সময়েই ফস্টিনাকে ঘুমের ওষুধ মেশানো রেড ওয়াইন খাইয়ে দিয়ে সে তার দেহ ৯ টুকরো করে সেদ্ধ করলো আগুনে। মাংস ও চর্বি গলে যখন পুরো মিশে গেলো, তারপর মিশ্রনটা সে ঢেলে দিলো একটা সেপটিক ট্যাঙ্কে। সেখানে যখন সাবানটা জমাট বাঁধলো, কেটে টুকরো টুকরো করে নিজের দোকানেই বিক্রি করে সে। ময়দা, চিনি, চকলেট, ডিম, দুধ এবং মার্জারিন মিশিয়ে কেকও বানালো খেয়েছে। দ্বিতীয় খুনের পর পুলিশের জেরায় লিওনার্দা সব স্বীকার করে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।