নয়াদিল্লি : ধীরে-ধীরে বিদায় নিচ্ছে বর্ষা। শুরু হয়েছে শারদ প্রাতের আকাশে সাদ মেঘের আনাগোনা। রাতের আকাশে পূর্ণিমার গোল চাঁদ যেন জানান দিচ্ছে বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব আসন্ন। যদিই বর্তমান মহামারীর জেরে সবকিছুই যেন এবার জৌলুসহীন।

তবে জৌলুস হারায়নি শরৎের আকাশের চাঁদ। চলতি সেপ্টেম্বর মাসে এবার রাতের আকাশ জ্বলজ্বল করবে ‘কর্ন মুন’। যারা চাঁদের এই চক্র অনুসরণ করেন না তাঁদের জন্য, মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ‘নাসা’ অনুসারে, এই পূর্ণিমা শরৎকালীন বিষুবক্ষের আগে শেষ হবে, যা সাধারণত ‘ফসল কাটার চাঁদ’ নামে পরিচিত। শারদীয় বিষুবটি এই বছরের ২২ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে সেদিন দিন ও রাত একই সময় কালের হবে।

এই সেপ্টেম্বর মাসের পূর্ণিমা তিথিতে চাঁদকে কেন ‘কর্ন মুন’ হিসাবে ডাকা হবে? যদি এই প্রশ্ন জাগে আপনার মনে তাহলে এর আসল কারণটি জেনে রাখা জরুরি। যেহেতু শারদীয় বিষুবণের আগে এই পূর্ণিমা আসে এবং এটিকে অনুসরণ করে ১ অক্টোবরের পূর্ণিমার চাঁদকে ‘হার্ভেস্ট মুন’ এবং ৩১ অক্টোবরের পূর্ণিমাকে ‘হান্টার মুন’ হিসেবে ধরা হয়।

এর অর্থ হল হ্যালোইনের রাতে একটি বিরল নীল চাঁদ জ্বলবে। ওল্ড ফাদারের আলমানাক অনুসারে, এই নীল চাঁদ ১৮ থেকে ১৯ বছরের মধ্যে একবার দৃশ্যমান হয়। হ্যালোইনের পরবর্তী নীল চাঁদ দেখা যাবে ২০৩৯ সালে।

চাঁদ বার্লি মুন নামেও পরিচিত কারণ কৃষকরা এটিকে বার্লি ফসল তোলার উপযুক্ত সময় হিসাবে মনে করেন। কর্ণ মুনটি নেটিভ আমেরিকানদের কাছ থেকে এর নাম পেয়েছিল কারণ এটি শস্য সংগ্রহের সঠিক সময়ও নির্দেশ করে।

শুধু তাই নয়, আবহাওয়াবিদদের মতে, জুডসন জোন্স পূর্ব দিগন্তের ওপরে উঠার সঙ্গে সঙ্গে এই পূর্ণিমাটি দেখবার মতো একটি দৃশ্য হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.