সিওল: আজব নিদান। গর্ভবতী মহিলাদের জন্য সিওল প্রশাসনের নির্দেশাবলী প্রকাশ্যে আসতেই উঠল সমালোচনার ঝড়৷

সিওল প্রেগন্যান্সি অ্যান্ড চাইল্ড বার্থ ইনফরমেশন সেন্টার থেকে একটি আর্টিকেল প্রকাশ করা হয়েছিল ২০১৯ সালে৷ তবে সম্প্রতি বিষয়টি ইন্টারনেটে ভাইরাল হয়ে যায়৷ এই নির্দেশাবলীর মধ্যে পুরুষতান্ত্রিক সমাজের চরম নিদান ফুটে উঠেছে৷ যা দেখে নিন্দায় সরব তামাম দুনিয়া৷

প্রশাসনের ওই গাইডলাইনে বলা হয়েছে, গর্ভবতী মহিদের উচিত তাঁর স্বামী এবং পরিবারের সদস্যদের জন্য রান্না করে খাবার পরিবেশন করা৷ নিউ ইয়র্ক টাইমসের রিপোর্ট অনুযায়ী ওই আর্টিকেলে বলা হয়েছে, প্রসব করার আগে মহিলাদের রেডিমেড খাবার তৈরি করা উচিত৷ কারণ তাঁর স্বামী ভালো রান্না নাও জানতে পারেন৷ এছাড়াও একজন মহিলার তাঁদের চুল বেঁধে দেওয়া৷ যাতে তাঁদের অপরিচ্ছন্ন না দেখায়৷

এখানেই শেষ নয়৷ সাফ নির্দেশ, বিয়ের আগে যে সকল ছোট ছোট বা সুন্দর জামা কাপড় তাঁরা পড়তেন তা যেন চোখের সামনে রাখা হয়৷ এই পোশাকই তাঁদের তন্বী থাকতে উৎসাহিত করবে৷ যাতে সন্তান জন্ম দেওয়ার পরও ওজন বাড়তে না পারে৷ এবং বাড়তি খাবার খাবার ইচ্ছা না জাগে৷

সিওল প্রশাসনের সুপারিশ, যখনই বেশি খেতে ইচ্ছা করবে বা অনুশীলন করতে মন চাইবে না, তখন এই ছোট ছোট জামা কাপড়গুলিই তাঁদের অনুপ্রাণিত করবে৷ উৎসাহ জোগাবে স্লিম থাকার৷ এমনকী প্রসবের আগে বাড়ির সমস্ত জিনিস ভালো করে যেন গুছিয়ে রেখে যান৷ যাতে পরিবারের সদস্যদের অস্বস্তিতে পডতে না হয়৷

পুরুষতান্ত্রিক ধ্যানধারণার চরমে উঠে আরও বলা হয়েছে, প্রেগন্যান্সির সময় নিজের স্বামীর জন্য লাস্যময়ী হয়ে উঠতে হবে নারীদের! গর্ভাবস্থায় পরিবারের জন্য রান্না করা থেকে ফ্রিজ পরিষ্কার সব কিছুই করতে হবে তাঁদের৷ তবে অন্য বাচ্চাদের দেখাশোনার জন্য কাউকে খুঁজে নিতে পারেন তাঁরা৷ তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এই নির্দেশিকায় স্বামী বা হবু বাবার জন্য কোনও নির্দেশই দেওয়া হয়নি৷

এই নির্দেশিকা প্রকাশ্যে আসতেই সমালোচনার ঝড় উঠেছে৷ এর জন্য জনসাধরণের কাছে প্রশাসনের ক্ষমা চাওয়া উচিত বলেও অনেকে দাবি জানিয়েছে৷ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার দাবিও তোলা হয়েছে৷ ওই পিটিশনে সাক্ষর করেছেন ২২ হাজার মানুষ৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I