মুম্বই: সোমবার থেকে টানা তিনদিন ধরে শেয়ার বাজার উঠছে । বুধবারের বড় উত্থান দেখা গেল শেয়ার বাজারে। সেনসেক্স প্রায় সাড়ে এগারোশো পয়েন্ট উঠেছে এদিন। বিশেষত ব্যাংক আর্থিক সংস্থার শেয়ারের দাম লাফ দিয়ে বাড়তে দেখা গিয়েছে । এদিন বাজার বন্ধের সময় সেনসেক্স ১১৪৮ পয়েন্ট বা ২.২৮ শতাংশ উঠে অবস্থান করছে ৫১,৪৪৫ পয়েন্টে। অন্যদিকে এনএসই নিফটি ৩২৭ পয়েন্ট বা ২.১৯ শতাংশ উঠে অবস্থান করছে ১৫,২৪৬ পয়েন্টে। সেনসেক্সে থাকা যেসব সংস্থার শেয়ারের দাম রীতিমতো বেড়েছে সেগুলির মধ্যে রয়েছে -বাজাজ ফিনসার্ভ,রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ,বাজাজ ফিনান্স, এইডিএফসি আইসিআইসিআই ব্যাংক এবং অ্যাক্সিস ব্যাংক। যাদের বৃদ্ধি হয়েছে ৪.৮ শতাংশ পর্যন্ত। অন্যদিকে মারুতি ইন্ডিয়া, বাজাজ অটো এবং মহিন্দ্র অ্যান্ড মহিন্দ্র শেয়ারের দাম এদিন পড়েছে।

এদিকে এনএসই প্ল্যাটফর্মে নিফটি অটো ছাড়া সব কটি অধীনস্ত সূচকগুলি বেড়েছে । বিশেষত নিফটি মেটাল রীতিমতো বৃদ্ধি ঘটেছে ৩.৩৪ শতাংশ।দেশের বাজারে ব্যাংক আর্থিক সংস্থা শেয়ারের বেড়েছে । তারফলে দেখা গিয়েছে বেসরকারি ব্যাংকের সূচক ২.৭৫ শতাংশ বেড়েছে এবং রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের সূচক বাড়ছে ৩.১৬ শতাংশ।এদিন ইউরোপ এবং এশিয়া শেয়ার বাজার কিছুটা চাঙ্গা হতে দেখা গিয়েছে ।হংকং শেয়ার বাজার ২.৭ শতাংশ বৃদ্ধি হয়েছে এবং টোকিও নিক্কি ০.৫ শতাংশ বেড়েছে ।

টানা তিনদিন বাড়লেও, গত সপ্তাহে শেয়ারবাজারে অস্থিরতা দেখা গিয়েছিল । বিশেষত গত শুক্রবার শেয়ার বাজারে বড় পতন লক্ষ্য করা গিয়েছিল ৷ সেদিন ১৯৩৯.৩২ পয়েন্ট বা ৩.৮০ শতাংশ পতন হতে দেখা যায় ৷ যা ছিল গত চার বছরে সর্বচেয়ে বড় পতন৷ অন্যদিকে নিফটি পড়েছিল ৫৬৮.২০ পয়েন্ট,যা গত বছরের ২৩ মার্চের পর সবচেয়ে বড় পতন ৷ শুক্রবার দিন বিদেশি প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা ৮২৯৫.১৯ কোটি টাকা শেয়ার বেচে দিয়েছিল৷ এরপরে সোমবারে ফের শেয়ার বাজার ঘুরে দাঁড়াল৷ সপ্তাহের শুরুতেই বিএসই সেনসেক্স এবং এনএসই নিফটি দুই সূচকেই উঠতে দেখা গেল ৷ এর কারণ হল দুটি পর পর ত্রৈমাসিকে সংকোচনের পর আবার দেশের অর্থনীতির বৃদ্ধি হতে দেখা গিয়েছে ৷ ফলে লগ্নিকারীদের মধ্যে উত্ফুল্ল দেখা যায়৷ বিএসই সেনসেক্স সোমবার  ৭৪৯.৮৫ পয়েন্টে বেড়ে ছিল। আর মঙ্গলবার বেড়েছিল সেনসেক্স ৪৪৭ পয়েন্ট।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।