মুম্বই: লক্ষ্মীবারে চরম পতন দেখা গেল দেশের শেয়ার বাজারে৷ বৃহস্পতিবার লগ্নিকারীরা যেন শেয়ার বেচার জন্য কমপিউটারের বোতাম টিপতে ব্যস্ত ছিল কারণ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ঘোষণা করেছে এই করোনা ভাইরাস এখন বিশ্বমহামারীর আকার ধারণ করেছে ৷ ইউরোপ থেকে কাউকে আমেরিকায় ঢুকতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে ৷ এই শেয়ারবাজারের পতনের ফলে লগ্নিকারীদের সম্পদ ১০.৯ ট্রিলিয়ন কমে গিয়েছে৷ ভারতের দুই শেয়ার সূচক সেনসেক্স এবং নিফটির পতন এদিন ৯ শতাংশ ৷

দিনের শেষে এদিন বিএসই সূচক সেনসেক্স নেমেছে ২৯১৯ পয়েন্ট যার গত দুবছরে সর্বনিম্ন স্তর ৩২৭৭৮ থেকে নেমে গিয়ে দাড়িয়েছে ৩২৪৯৩.১০ পয়েন্টে৷ এইচডিএফসি ব্যাংক ( ৯ শতাংশ পতন), রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ (৭শতাংশ পতন),এইচডিএফসি(৭শতাংশ পতন) মূলত এদিন সেনসেক্সকে নামিয়ে এনেছে ৷ এছাড়া স্টেট ব্যাংক , অ্যাক্সিস ব্যাংক , আইটিসি এবং ওএনজিসি শেয়ার পড়েছে ১৩ শতাংশ করে৷

অন্যদিকে নিফটি ৫০ সূচকটি ২০১৮সালের ২৬ মার্চের পর এদিন প্রথম ১০,০০০পয়েন্টের স্তর থেক নেমে আসে৷ তবে দিনের শেষে এদিন নিফটি ৭.৮৯ পয়েন্ট বা ৮২৫ পয়েন্ট নেমে গত ৩২ মাসে সর্বনিম্ন স্তর ৯৬৩৩ এসে পৌঁছেছে ৷ এই সূচক এখন বেয়ার মার্কেটে প্রবেশ করেছে সর্বোচ্চ স্তর থেকে ২০ শতাংশ পতনের পর৷ নিফটির সব কটি ক্ষেত্রের সূচকই এখন ৫২ সপ্তাহে সর্বনিম্ন স্তরে রয়েছে ৷

বিশ্বব্যাপী শেয়ার বাজারে করূণ অবস্থা লক্ষ্য করা গিয়েছে ,ইউরোপের শেয়ারবাজার গত চার বছরে সর্বনিম্ন স্থানে পৌছে গিয়েছে৷ ৬০০ সূচক কমেছে ৪.৯ শতাংশ৷ এশিয়ার মধ্যে জাপানের নিকি ৪.৪ শতাংশ পড়ে তিন বছরে সর্বনিম্ন স্থানে৷ অস্ট্রেলিয়ার শেয়ার বাজারে ৭.৪ শতাংশ নেমেছে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।