মুম্বই: গতদিনের মতোই এক সময় বাজার উঠে ফের নেমে গেল শেয়ার সূচক। যার ফলে পরপর দু’দিন দিনের শেষে শেয়ারবাজারের সূচক গতদিনের তুলনায় নিচে অবস্থান করছে। বৃহস্পতিবার বাজার বন্ধের সময় সেনসেক্স ৮১ পয়েন্ট বা ০.১৭ শতাংশ নিচে নেমে গিয়ে অবস্থান করছে ৪৮০৯৩ পয়েন্টে।

পাশাপাশি এদিন নিফটি ৯ পয়েন্ট বা ০.০৬ শতাংশ নেমে গিয়ে অবস্থান করছে ১৪,১৩৭ পয়েন্টে। তথ্য প্রযুক্তি এবং এফএমসিজি শেয়ার বেচার প্রবণতায় এদিন শেয়ার সূচক টেনে নামিয়েছে। ভারতী এয়ারটেলের শেয়ারের দাম এদিন সবচেয়ে বেড়েছে ৩.৬ শতাংশ। তারপরে শেয়ার বৃদ্ধির তালিকায় রয়েছে ইন্দাসিন্দ ব্যাংক, অ্যাক্সিস ব্যাংক ,এল অ্যান্ড টি, এইচডিএফসি।

অন্যদিকে যেগুলি কমেছে তাদের মধ্যে রয়েছে হিন্দুস্তান ইউনিলিভার, টাইটান, নেসলে, ইনফোসিস আইটিসি। এদের দাম কমেছে ১.৫-২ শতাংশ। নিফটিতে থাকা ৫০টি শেয়ারের মধ্যে ২৭টি শেয়ারের দাম বেড়েছে এবং ২৩টি কমেছে।

যদিও এদিন সকালে নিফটি নতুন উচ্চতায় ১৪,২৫৬.২৫ পয়েন্টের পৌঁছেছিল। সেক্টর অনুসারে দেখা গিয়েছে নিফটি রিয়েলটি ইন্ডেক্স, প্রাইভেট ব্যাংক ইন্ডেক্স, পিএসবি ইন্ডেক্স বেড়েছে ১ শতাংশের বেশি। বুধবার বিশ্বজুড়ে শেয়ার সূচক মোটামুটি নিম্নমুখী হলেও বৃহস্পতিবার বরং তা ছিল ঊর্ধ্বমুখী।

ফ্রাংকফুট এবং প্যারিস বেড়েছে যথাক্রমে ০.৪ এবং ০.৬ শতাংশ। অন্যদিকে জাপানি ০.৬ শতাংশ বৃদ্ধি হতে দেখা গিয়েছে যা ১৯৯০ সালের পর সর্বোচ্চ। ২০২০ সালটি করোনা অতি মহামারীর বছর হলেও শেয়ার বাজারের লগ্নিকারীদের জন্য শেষমেষ ভালই গিয়েছে।

তাদের মোট সম্পদের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে ৩২.৪৯ লক্ষ কোটি টাকা। করোনা সংক্রমনের ফলে দুনিয়াজুড়ে জীবন এবং জীবিকার উপর প্রভাব ফেলে ছিল। তবু এরই মাঝে লগ্নিকারীদের মনে আশা জাগিয়ে ভারতের শেয়ার বাজারের সূচককে তরতর করে উঠতে দেখা গিয়েছে।

তারপর গত শুক্রবার নতুন বছরের শুরুতে শেয়ার সূচকে উঠতেই দেখা গিয়েছে। তারপরে সোমবারেও বাজারে ইতিবাচক সেন্টিমেন্ট নিয়ে বিরাজ করছে।

মঙ্গলবার দিনের মধ্যে যাই উঠানামা থাক না কেন দিনের শেষে সূচক আরও উঠে নতুন রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছে গিয়েছে। কিন্তু বুধ এবং বৃহস্পতিবার পরপর দুদিন শেয়ার সূচক নেমে যেতে দেখা গেল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।