পর পর দুদিন সেনসেক্সের পতন

পর পর দুদিন সেনসেক্সের পতন

শেযার সূচক নামল

0

মুম্বই : শেয়ার বাজারের সূচক পর পর দুদিন নেমে এল। শুক্রবার সেনসেক্স ৪৪১ পয়েন্টে বা ০.৮৭ শতাংশ নেমে গিয়ে দিনের শেষে অবস্থান করছে ৫০,৪০৫ পয়েন্টে। অন্যদিকে নিফটি এদিন ১৪২ পয়েন্টে বা ০.৯৫ শতাংশ নেমে গিয়ে অবস্থান করছে ১৪,৯৩৮ পয়েন্টে। বিএসইতে এদিন যে সব শেয়ারের দাম রীতিমতো পড়ে গিয়েছে সেগুলির মধ্যে রয়েছে ইন্দাসিন্দ ব্যাংক,এসবিআই, ডক্টর রেড্ডি, এনটিপিসি, আইসিআইসি আই ব্যাংক এবং এইচ সিএল টেক। এদের দাম কমেছে ৪.৭৯ শতাংশ পর্যন্ত। এনএসই প্ল্যাটফর্মে থাকা সব সেক্টরের সূচকগুলি নেমে গিয়েছে এর মধ্যে আবার এনএসই পিএসইউ ব্যাংক সূচক নেমে গিয়েছে ৩.৯৩ শতাংশ।

মার্কিন বাজারে বন্ডের ইল্ড বাড়ায় তার নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে ভারতের মতো উদীয়মান বাজারে । বিশেষজ্ঞদের আশংকা মার্কিন বন্ড বাজার শক্তিশালী হলে তখন এখান থেকে আরও টাকা বেরিয়ে যেতে পারে। বৃহস্পতিবার বিদেশি লগ্নিকারীরা প্রায় নিট ২২৩.১১ কোটি টাকা বের করে নিয়ে যায়।

প্রসঙ্গত, গতকাল বৃহস্পতিবার বিএসই সেনসেক্স এবং নিফটি নেমে গিয়েছিল এক শতাংশের মতো।  দিনের শেষে সেনসেক্স ৫৯৯ পয়েন্টে বা ১.১৬ শতাংশ নেমে গিয়ে পৌছে ছিল ৫০,৮৪৬ পয়েন্টে এবং নিফটি ১৬৫ বা ১.০৮ শতাংশ নেমে পৌছে ছিল ১৫,০৮১ পয়েন্টে। গতকাল সেনসেক্সের ৩০টি শেয়ারের মধ্যে ২৫টি শেয়ারের দাম কমে ছিল।

পর পর দুদিন বাজার পড়লেও তার আগে সোমবার থেকে টানা তিনদিন ধরে শেয়ার বাজার উঠছেিল। অর্থাৎ গোটা সপ্তাহজুড়ে এক অস্থিরতা বিরাজ করেছে । বিশেষত বুধবারে বড় উত্থান দেখা গিয়েছিল শেয়ার বাজারে। সেনসেক্স প্রায় সাড়ে এগারোশো পয়েন্ট ওঠে ওইদিন। একই রকম ভাবে গত সপ্তাহেও শেয়ারবাজারে সূচকের ওঠানাম দেখা গিয়েছে । আবার গত শুক্রবার শেয়ার বাজারে বড় পতন লক্ষ্য করা গিয়েছিল ৷ সেদিন ১৯৩৯.৩২ পয়েন্ট বা ৩.৮০ শতাংশ পতন হতে দেখা যায় ৷ যা ছিল গত চার বছরে সর্বচেয়ে বড় পতন৷ অন্যদিকে নিফটি পড়েছিল ৫৬৮.২০ পয়েন্ট,যা গত বছরের ২৩ মার্চের পর সবচেয়ে বড় পতন ৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।