মুম্বই: বৃহস্পতিবারেও শেয়ার সূচকে উত্থান দেখা গেল। এই নিয়ে টানা তিন দিন ধরে সেনসেক্স এবং নিফটি উঠল। মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েলের ইঙ্গিতে বিশ্বজুড়েই শেয়ারের উত্থান দেখা গিয়েছে, বিশেষত আর্থিক এবং তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা শেয়ারের বৃদ্ধি সবথেকে বেশি হতে দেখা গিয়েছে। তারই প্রতিফলন যেন এ দেশের শেয়ারবাজারেও দেখা গেল এদিন। এদিন বাজার খোলার পর সেনসেক্স কিছুক্ষণের মধ্যে প্রায় ৬০৪ পয়েন্ট উপরে উঠে গিয়েছিল এবং অন্যদিকে নিফটি ছুয়েছিল ১৫,১৭৬.৫০ স্তর। ফেব্রুয়ারি ফিউচার এবং অপশন কন্ট্রাকের মাসিক মেয়াদের শেষ দিন হওয়ায় দিনের মধ্যে এতটা সূচকের উত্থান ঘটে যায়়।

তবে দিনের শেষে সেনসেক্স ২৫৮ পয়েন্ট উপরে উঠে অবস্থান করছে ৫১,০৩৯ স্তরে এবং নিফটি ১১৫ পয়েন্ট উঠে দিনের শেষে অবস্থান করছে ১৫০৯৭ স্তরে। সেনসেক্সে থাকা রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ, অ্যাক্সিস ব্যাংক, টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেস, এনটিপিসি ইন্ডাসইন্ড ব্যাংক এবং ওএনজিসি সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি হতে দেখা গিয়েছে।

এদিকে আবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলির বেসরকারিকরণের দিকে জোর দেওয়ায় সরকারি সংস্থাগুলির শেয়ারের প্রতি লগ্নিকারীদের আগ্রহ ছিল। কারণ মোদী জানিয়েছেন, ব্যবসা করাটা সরকারের কাজ নয়। লগ্নিকারীরা ওইসব শেয়ার কেনায় রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা শেয়ারের দাম এদিন বাড়তে থাকে। ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার সূচক ৫.৩ শতাংশ বেড়েছে। ওই সূচকে থাকা ১২টি শেয়ারের দাম বৃদ্ধি হয়েছে। এনবিসিসি ৯ শতাংশ, কোল ইন্ডিয়া ৮ শতাংশ , ওএনজিসি ৫.২ শতাংশ, এনটিপিসি ৪.৪ শতাংশ, ভারত ইলেকট্রনিক্স ৪.৩ শতাংশ, এনএমডিসি ৪.২ শতাংশ এবং এন এইচ পি সি ৪ শতাংশ বেড়েছে।

নিফটি ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস এবং এফএমসিজি এই সূচকদুটি নেমেছে। কিন্তু নিফটি মেটাল , মিডিয়া, পিএসইউ ব্যাংক রিয়েলিটি এবং অটো সূচকগুলি বৃদ্ধি পেয়েছে ‌১-১.৭ শতাংশ। পাশাপাশি নিফটির মিড এবং স্মল ক্যাপ বৃদ্ধি পায় ১.৫ শতাংশ। বিএসই তে এদিন ১৭৮৩টি শেয়ারের দাম বেড়েছে অন্যদিকে ১১৭৩টি শেয়ারের দাম কমেছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।