মুম্বই: বৃহস্পতিবার দিনভর ভারতের শেয়ার বাজারে অস্থিরতা দেখা গেলেও দিনের শেষে শেয়ার সূচক উপরে উঠে অবস্থান করতে দেখা গেল। দিনের শেষে সেনসেক্স‌ ৯২ পয়েন্ট উঠে ৪৯,৫৮৪ পয়েন্টে অবস্থান করছে।এদিন সেনসেক্স‌ ওঠানামা করেছে ৪৯,৬৬৪ থেকে ৪৯,১৮২ পয়েন্টের মধ্যে।

অন্যদিকে দিনের শেষে এদিন নিফটি০.২১ শতাংশ বেড়ে ১৪৫৯৬ পয়েন্টে অবস্থান করছে। এদিন ইন্ডাসইন্ড ব্যাংক ৩ শতাংশ এবং টিসিএস ২.৭ শতাংশ উঠে সেনসেক্স‌ তালিকায় এরাই সবথেকে এগিয়ে। রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ ১ শতাংশ বেড়েছেে।

অন্যদিকে শেয়ারের দাম কমার তালিকা এইচসিএল টেক (২ শতাংশ) একেবারে উপরে। সেনসেক্স‌ ভুক্ত ১৬টি শেয়ারের দাম বেড়েছে। এটা ঘটনা ডিসেম্বরে শেষ হওয়া ত্রৈমাসিকে ইনফোসিস এবং উইপ্রোর ফলাফল খুব ভালো হয়, যা আশা করা হচ্ছিল তার চেয়েও ভালো হয়েছে। এদের ত্রৈমাসিক ফলাফল আগামী দিনে বাজারকে কিছুটা উজ্জীবিত করতে পারে বলেই গতকাল মনে করছিলেন বাজার বিশেষজ্ঞদের একাংশ। এরফলে আগামী দিনে সেনসেক্স ৫০,০০০ স্তর ছাড়িয়ে যাবে বলে তারা মনে করছিলেন। কিন্তু বরং এ দিন এক সময় এই দুটি শেয়ারের দাম বেশ কিছুটা পড়ে যেতে দেখা যায়। ইনফোসিস ৫ শতাংশ এবং উইপ্রো ৬ শতাংশ কমে যায় কারণ এই শেয়ারগুলি বেচে লাভের টাকা ঘরে তোলার একটা প্রবণতা দেখা যায় লগ্নিকারীদের মধ্যে। নিফটিতে ক্ষেত্রবিশেষে সূচক গুলির মিশ্র প্রভাব লক্ষ্য করা গিয়েছে। ফার্মা এবং এফএমসিজি সূচক বেড়েছে যথাক্রমে ০.৮ শতাংশ এবং ০.৭ শতাংশ। অন্যদিকে নিফটি‌ মেটাল ইন্ডেক্স এক শতাংশ কমেছে। বিএসইতে মিড ক্যাপ এবং স্মল ক্যাপ সূচক দুটি বেড়েছে যথাক্রমে ০.২৯ শতাংশ এবং ০.১৭ শতাংশ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।