ওয়াশিংটন: আমেরিকার পরিস্থিতি ক্রমশ ট্রাম্পের প্রতিকূলে যাচ্ছে। তার কারণ আসন্ন মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে‌ রিপাবলিকান দলের প্রার্থী হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সমর্থন করছেন না এই দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা। যাদের‌ মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ, প্রভাবশালী সেনেটের মিট রমনি এবং প্রাক্তন প্রতিরক্ষামন্ত্রী কলিন পাওয়েল।

সম্প্রতি আমেরিকায় কৃষ্ণাঙ্গ নাগরিক জর্জ ফ্লয়েডকে একজন শ্বেতাঙ্গ পুলিশ অফিসার হত্যা করায় গোটা দেশে অশান্তি ছড়িয়ে পড়ে। এক্ষেত্রে প্রতিবাদীদের দমন করতে কারফিউ জারি করলেও তাদের নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি মার্কিন ‌ প্রশাসন। তারপর ট্রাম্প প্রশাসন সেনা নামানোর হুমকি দেয়। ‌

কিন্তু বিক্ষোভ দমনের ব্যাপারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ভূমিকারও সমালোচনা করতে দেখা যায় বিরোধীদের পাশাপাশি দলীয় নেতাদের। এই প্রসঙ্গে, নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ এবং মিট রমনি দুজনই সুস্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তারা সমর্থন করবেন না। এদিকে ফ্লোরিডার গভর্নর জেব বুশও ট্রাম্পকে রিপাবলিকান দলের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে স্বীকৃতি দিতে অস্বীকার করেছেন। ২০১৬ সালের নির্বাচনের সময় জেব বুশ দলের মনোনয়ন পাওয়ার ক্ষেত্রে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।

তাছাড়া আবার প্রতিরক্ষামন্ত্রী কলিন পাওয়েল বলেছেন, তিনি আসন্ন নির্বাচনে ট্রাম্পের প্রতিদ্বন্দ্বী ডেমোক্র্যাট দলের প্রার্থী জো বাইডেনকে ভোট দেবেন। এদিকে ইতিমধ্যে আমেরিকার প্রতিবাদের আচ ছড়িয়ে পড়তে দেখা গিয়েছে ইউরোপেও। সেখানেও প্রচণ্ড বিক্ষোভ দেখা গেল।

করোনাভাইরাস মোকাবিলার জন্য যখন ইউরোপের বিভিন্ন দেশে সমাবেশ করা নিষিদ্ধ, সেই নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে জমায়েত এবং বিক্ষোভ প্রদর্শন হতে দেখা গেল। গোটা দুনিয়া জুড়ে যেভাবে ট্রাম বিরোধী হাওয়া বইছে তা দেখে এইসব রিপাবলিকান নেতারা আর ট্রাম্পের উপর ভরসা রাখতে পারছেন না বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ