নয়াদিল্লি: প্রয়াত প্রবীণ কংগ্রেস নেতা তথা রাজ্যসভার সাংসদ আহমেদ পটেল। সনিয়া গান্ধীর নিকটতম রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে পরিচিত ছিলেন তিনি। গুরগাঁওয়ের একটি হাসপাতালে বুধবার সকালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭১ বছর।

কিছুদিন আগে করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন আহমেদ পটেল। এরপর তিনি করোনার হাত থেকে সুস্থ হয়ে উঠলেও একের পর এক সমস্যা দেখা যাচ্ছিল শরীরে। বুধবার সকালে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, মাল্টি-অর্গ্যান ফেলিওরে মৃত্যু হয়েছে এই প্রবীণ রাজনৈতিক নেতার।

আরও পড়ুন – ধেয়ে আসছে সাইক্লোন ‘নিভার’, আশঙ্কায় বাতিল বহু বিমান

এদিন ভোর ৪ টে নাগাদ নেতা পুত্র ফয়জল প্যাটেল টুইট বার্তায় জানান, সাংসদ ভোর সাড়ে ৩ টে নাগাদ প্রয়াত হয়েছেন। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে রাজনৈতিক জগতে।

তাঁর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন রাহুল গান্ধী সহ কংগ্রেসের অন্য শীর্ষ নেতারাও। অন্যদিকে শোকবার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও। তিনি টুইটে লেখেন,”আহমেদ পটেলজির প্রয়াণে শোকাহত। তিনি বহু বছর জণগণের জন্য কাজ করেছেন। তিনি তাঁর প্রখর বুদ্ধির জন্য পরিচিত ছিলেন। কংগ্রেস দলকে শক্তিশালী করতে তাঁর ভূমিকা সকলে মনে রাখবেন। ওনার ছেলে ফৈজলের সঙ্গে কথা হয়েছে। সমবেদনা জানিয়েছি। ওনার আত্মার শান্তি কামনা করি।”

রাহুল গান্ধী জানান, “আজ দুঃখের দিন। শ্রী আহমেদজি ছিলেন কংগ্রেস পার্টির স্তম্ভ। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি কংগ্রেসের জন্য বেঁচেছেন।দলের সবচেয়ে খারাপ দিনেও তিনি পাশে ছিলেন। তিনি ছিলেন দলের বড় সম্পদ। আমরা তাঁকে মিস করব। ফৈজল ও তাঁর পরিবারকে আমার সমবেদনা ও ভালোবাসা।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।