ডাকার: ২০০২ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে নবাগত সেনেগালের কাছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সের হার প্রতিযোগীতার ইতিহাসে অন্যতম অঘটন হিসেবে বিবেচিত হয় আজও। ওই ম্যাচে যে ফুটবলারের একমাত্র গোলে সেনেগালের কাছে হেরে মাথা নীচু করে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল থিয়েরি অঁরি-ফ্যাবিয়ান বার্থেজদের, সেই পাপা বৌবা দিওপ প্রয়াত। দীর্ঘ অসুস্থতার পর ৪২ বছর বয়সে রবিবার জীবনের লড়াইয়ে হার মানলেন প্রাক্তন ফুলহ্যাম মিডফিল্ডার।

কেবল ফ্রান্সের বিরুদ্ধেই নয়, ২০০২ বিশ্বকাপে ঊরুগুয়ের বিরুদ্ধে ৩-৩ অমিমাংসিত ম্যাচে দিওপের পা থেকে এসেছিল জোড়া গোল। সবমিলিয়ে ওই বিশ্বকাপে পশ্চিম আফ্রিকার দেশটিকে আবির্ভাবেই কোয়ার্টার ফাইনালে নিয়ে যাওয়ার অন্যতম কান্ডারি ছিলেন দিওপ। ফুলহ্যাম ছাড়াও ওয়েস্টহ্যাম, বার্মিংহ্যাম সিটির হয়ে ইংলিশ প্রিমিয়র লিগে ১২৯ ম্যাচে প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন সেনেগালের এই কিংবদন্তি।

বিশ্ব ফুটবলের নিয়ামক সংস্থা ফিফা দিওপের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করে লিখেছে, ‘একসময়ের বিশ্বকাপ হিরো আজীবন বিশ্বকাপ হিরো হয়েই থেকে যাবেন।’ দিওপের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করে তাঁর প্রাক্তন ক্লাব ফুলহ্যাম লিখেছে, ‘আমরা বিধ্বস্ত। শান্তিতে বিশ্রাম নাও ওয়্যার্ড্রোব।’ উল্লেখ্য, এই নামেই ফুলহ্যামে পরিচিত ছিলেন দিওপ। ২০০২ আফ্রিকান নেশনস কাপে দেশকে রানার্স করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন দিওপ। ২০০৮ সেনেগালের প্রাক্তন এই ফুটবলার ছিলেন হ্যারি রেডন্যাপ প্রশিক্ষণাধীন পোর্টসমাউথ ক্লাবের উল্লেখযোগ্য এক সদস্য, যারা এফএ কাপ জিতেছিল সেবছর।

দিওপের মৃত্যুর খবরে তাই শোকাহত রেডন্যাপ। এক শোকবার্তায় তিনি জানিয়েছেন, ‘ও একজন দারুণ ব্যক্তিত্ব। আমার এক বিশ্বস্ত সেনানী ছিল ও। এক অসাধারণ চরিত্রের মানুষ, মুখে সবসময় হাসি লেগে থাকত। ওর মধ্যে কোনওদিন উগ্রতা দেখিনি। কোন খারাপ বিষয় ওর মধ্যে ছিল না। ওর পরিবারের প্রতি সমবেদনা রইল।’ উল্লেখ্য, ৬৩ ম্যাচে সেনেগালের হয়ে ১১ গোল করার পর ২০০৮ অবসর নিয়েছিলেন দিওপ। আর বার্মিংহ্যাম সিটি থেকে ক্লাব কেরিয়ারে দিওপ ইতি টেনেছিলেন পাঁচ বছর বাদে অর্থাৎ ২০১৩ সালে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।