আলিগড়: জিন্নার ছবি নিয়ে অশান্ত হয়েছিল আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়। এবার সেই আলিগড়ে জয়ী হয়েই বিজেপি প্রার্থী বললেন, জিন্নার ছবি পাঠাবেন পাকিস্তানে।

ছবিটি পাকিস্তানে পাঠানোই তাঁর ‘প্রথম কাজ’ হবে বলে জানালেন উত্তরপ্রদেশের আলিগড়ের জয়ী বিজেপি প্রার্থী সতীশ কুমার গৌতম।

উত্তরপ্রদেশেই অখিলেশ-মায়াবতীর মহাগঠবন্ধনকে ধুয়েমুছে সাফ করে ৮০টি লোকসভা কেন্দ্রের ৬৪টিই পেয়েছে বিজেপি। বুয়া-ভাতিজার জোট পেয়েছে মাত্র ১৫টি আসন।

এই প্রেক্ষাপটেই দলের আলিগড়ের ওই নেতা বলেন, আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি তালাবন্দি ঘরে থাকা জিন্নার ছবি পাকিস্তানে পাঠানোই হবে আমার প্রথম অগ্রাধিকার।

গত বছর কেন জিন্নার এই নিয়ে বিতর্কের শুরুটা করেছিলেন বিজেপির এই সাংসদ সতীশ গৌতমই৷ আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে চিঠি লিখে তিনি দাবি, করেন অবিলম্বে সরিয়ে ফেলুন মহম্মদ আলি জিন্নার ছবি৷ বিশাল এই ছবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ইউনিয়ন ভবনের সামনেই আছে ছবিটি।

তবে গৌতম জিন্নার ছবি রাখা নিয়ে আপত্তি তুললেও কর্তৃপক্ষ তা খারিজ করে জানিয়ে দেয়, জিন্না ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় কোর্টের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং তাঁকে ছাত্র সংসদের আজীবন সদস্যপদ দেওয়া হয়েছিল। জিন্নার ওই ছবি নাকি বেশ কয়েক দশক ধরেই টাঙানো আছে ছাত্র সংসদের অফিসে।

গত বছরের অক্টোবরে নতুন করে বিতর্ক হয় বিশ্ববিদ্যালয়ে গাঁন্ধী জয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানের অঙ্গ হিসাবে জিন্নার ছবির প্রদর্শনীকে কেন্দ্র করে।