নয়াদিল্লি:  গোটা দেশে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। যদিও দেশজুড়ে চলছে লকডাউন। বন্ধ সমস্ত ব্যবসা থেকে শুরু করে অফিস। ভয়ঙ্কর এই রোগের সঙ্গে লড়াই করতে এবং গরিব মানুষকে সাহায্য করতে এগিয়ে এসেছে প্রত্যেকটি রাজ্যের সরকার। যার ফলে চাপ বেড়েছে রাজকোষে। খরচ হচ্ছে বাড়তি অর্থ। হঠাত করে বাড়তি অর্থ খরচ হওয়াতে চাপ বেড়েছে সরকারের। সবদিক সামাল দিতে হিমশিম সরকার। এই অবস্থায় একাধিক রাজ্যে সরকার জানিয়ে দিয়েছে, বেতন হবে দেরিতে।

অন্ধ্রপ্রদেশ, রাজস্থান, মহারাষ্ট্র, ওডিশা সরকারে তরফে জানানো হয়েছে যে, এই মাসে মুখ্যমন্ত্রী সহ প্রশাসনের উচ্চপদস্থদের বেতন হবে দেরিতে। তবে স্বস্তির খবর বেতন কাঁটার কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। আগামিদিনেও নেওয়া হবে না। দেরিতে হলেও পুরো পারিশ্রমিক দেওয়া হবে। জানা যাচ্ছে, মুখ্যমন্ত্রী সহ সমস্ত মন্ত্রীদের বেতন দেরিতে হবে। বেতন দেরিতে হবে আমলা, আইএএস অফিসার সহ সমস্ত উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের।

জানা যাচ্ছে, রাজস্থানে পেনশনভোগীদের ৩০ শতাংশ বেতন, আইএএসদের ৬০ শতাংশ বেতন ও রাজ্য সরকারি চাকুরেদের ৫০ শতাংশ বেতন দেরিতে হবে। মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট জানিয়েছেন, নিজের ও অন্যান্য মন্ত্রীদের ৭৫ শতাংশ বেতন এবার হবে দেরিতে। করোনা ভাইরাসে কারণে তলানিতে অর্থনীতি। রাজ্যের অর্থনীতিও টলমল। এই পরিস্থিতিতে অর্থনীতি সামলাতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।

জানা গিয়েছে, বিধায়কদের বেতনও হবে দেরিতেই। যদিও ক্লাস ফোর কর্মী, পুলিশ, স্বাস্থ্যকর্মী, ঠিকা কর্মীদের বেতনে দেরি হবে না। একই অবস্থা তেলেঙ্গানাতেও। সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিসভার অন্যান্যদের, বিধায়কদের, সমস্ত নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের, পুরো বেতনই হবে দেরিতে। এছাড়া আইএএস, আইপিএস, আইএফএস আধিকারকদের মাইনের ৬০ শতাংশ হবে পরে। তাছাড়া সব সরকারি কর্মচারীদের এই মাসে অর্ধেক মাইনে নির্ধারিত দিনের পরে দেওয়া হবে। তবে এক্ষেত্রেও ছাড় দেওয়া হবে ক্লাস ফোর কর্মীদের।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প