সম্পর্ক নানা সময় নানা রকম রূপ নেয়। এই সম্পর্কে থাকা মানুষগুলো অনেক সময় অনেক ভাবে ধরা দেয়।

কার মুখের আড়ালে কী রয়েছে তা বোঝা মুশকিল। তবে এই সম্পর্কের ক্ষেত্রে দুটি মানুষই চায় যে অপর মানুষটি যেন সৎ থাকে এবং বিশ্বস্ত হয়।

অর্থাৎ পাশে থাকাটাই আসল। কিন্তু অনেক সময় তার উল্টোটাও হতে দেখা যায়।

সে ক্ষেত্রে সঙ্গী স্বার্থপর হলে জ্বালা বেশ অনেকটাই। তাই সম্পর্কে জড়ানোর আগে ভাগেই যদি সে মানুষটিকে আপনি চিনে ফেলতে পারেন তার কিছু লক্ষণ দেখে তাহলে আপনি বুঝে যাবেন যে সে ভবিষ্যতে স্বার্থপর হবে কিনা।

আরো পোস্ট-  হাঁচির পর হাঁচিতে জেরবার! সমাধান হাতের কাছেই

১. নিজের কাজে ফোন: নিজের স্বার্থ থাকলে আপনাকে বারবার ফোন করবে। দরকার হলে আপনাকে মিষ্টি কথা বলে ভোলানোর চেষ্টা করবে যাতে আপনি তাদের কাজটি করে দেন।

কিন্তু যদি আপনাকে তার প্রয়োজন না হয় তাহলে সে নিজের প্রয়োজন ছাড়া আপনার কথা হয়তো জিজ্ঞেস করতেও চাইবে না।

২. অন্যের সঙ্গে লুকিয়ে সম্পর্ক: এই ধরনের ব্যক্তিদের বেশিরভাগই দেখা যায় একাধিক সম্পর্কে জড়িয়ে থাকতে। তারা নিজেদের স্বার্থ ছাড়া কিছু বোঝে না এবং প্রতিটি মানুষের কাছে নিজেদের এক একটি স্বার্থ পূরণ করতে চায়।

৩. আপনাকে সাহায্য করতে না চাওয়া: এই ধরনের পার্টনাররা তার সঙ্গীর দরকারে পাশে থাকা তো দূর, উল্টে জিজ্ঞাসা পর্যন্ত করে না যে তার কোনো সাহায্য লাগবে কিনা। আবার আপনি আপনার প্রয়োজনের কথা তাকে জানালে সে কোন ভাবে সেটাকে উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে।

এছাড়াও আপনার দরকারটি আগে থেকে জেনে গেলে হয়তো আপনার ফোন অনেক সময় রিসিভ করতে চায় না।

৪. নিজের সম্পর্কে কথা লুকানো: এরা আপনার কথা জানতে ইচ্ছুক থাকলেও আপনি যদি তাদেরকে তাদের ব্যাপারে কিছু জিজ্ঞাসা করেন তাহলে সে নিয়ে বিশেষ কিছু বলতে চায় না। তাই যে কোনোভাবে সেই কথা এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

এমনকি আপনার সঙ্গে কথা বলার সময় তাড়াহুড়ো করে কথা বলবে যাতে আপনি তাকে কিছু প্রশ্ন করার সুযোগ না পান।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.