কলকাতা: করোনা আতঙ্কে হঠাৎ চাহিদা বাড়ায় রাজ্যজুড়ে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের আকাল দেখা গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতর স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের কাজে লাগিয়ে হ্যান্ড স্যানিটাইজার বানানোর উদ্যোগ নিচ্ছে। গোটা বিষয়টির কাজে সহায়তা করবে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। এজন্য বিভিন্ন জেলায় কাজে সুনাম রয়েছে এমন স্বনির্ভর গোষ্ঠীর নাম জোগাড় করার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে৷

প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালে নদীয়া জেলার কয়েকটি স্বনির্ভর গোষ্ঠী স্যানিটাইজার তৈরির কাজ করেছিল। গুণগত দিক থেকে তাদের তৈরি স্যানিটাইজার নামী সংস্থার সঙ্গে পাল্লা দিলেও তা বাজার ধরতে ব্যর্থ হওয়ায় সেই প্রকল্পগুলি অচিরে মুখ থুবড়ে পড়ে। কৃষ্ণনগরে এখনও রয়েছে সেই সব প্রোডাকশন ইউনিট বলে জানা গিয়েছে। এবার সেই সব ইউনিটগুলি চালু করা যায় কিনা তা ভাবা হচ্ছে৷ কথা বলা হচ্ছে সেই সব স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের সঙ্গেও৷

এছাড়া এই সব প্রোডাকশন ইউনিটে ঠিক মতো ফর্মূলা মেনে কাজ করছে কি না সেটা খতিয়ে দেখার জন্য একজন করে কেমিস্ট লাগবে। সেজন্য কেমিস্ট খোঁজার কাজ শুরু করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি অ্যালকোহল যোগান এবং তা মজুত রাখার জন্য প্রয়োজনীয় লাইসেন্স লাগবে। সেটা ব্যাপারেও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

নোভেল করোনা ভাইরাস যাতে ছড়িয়ে না পড়ে তারজন্য বারবার হাত ধোয়ার পরামর্শ দিচ্ছে সরকার থেকে চিকিৎসকমহল। সেজন্য হঠাৎ হ্যান্ড স্যানিটাইজ়ারের চাহিদা তুঙ্গে। ওষুধের দোকানে যে কটা স্যানিটাইজার ছিল তা সম্প্রতি বিক্রি হয়ে গিয়েছে এবং নতুন মাল এলেও দ্রুত তা বিক্রি হয়ে যাচ্ছে । ফলে অনেকেই স্যানিটাইজার কিনতে গিয়ে পাচ্ছেন না ৷ ফলে এই পরিস্থিতিতে যদি স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের তৈরি স্যানিটাইজার উৎপাদন করা যায় তা ভালমতোই কার্যকরী হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।