কলকাতা: ভুয়ো খবরের রমরমা এখন সমাজ মাধ্যম পাতা জুড়ে। আর সেই খবরের জেরে ভুল হয়ে যায় অনেক কিছু। কাছের মানুষকে নিয়ে ভুল খবরে ওলোট পালট হয়ে যায় অনেক কিছু। এরকমই এক ঘটনায় বিনিদ্র রজনী কাটিয়েছেন শেখর সুমনের পরিবার। কেঁদে আকুল হয়েছেন তাঁর স্ত্রী।

হঠাৎ সুমনের পরিবার খবর পায়, মৃত্যু হয়েছে শেখর সুমনের ছেলে অধ্যায়নের (Adhyayan Suman)। শেখর সুমনের ছেলে অধ্যায়ন (Adhyayan Suman) ‘আত্মহত্যা’ করেছেন। এই খবর দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে। সমস্যা আরও তীব্র হয় যখন একটি সংবাদমাধ্যমের তরফে এমন খবর প্রকাশ করে টুইট করা হয়। অধ্যায়নের ‘মৃত্যুর’ খবরে ভেঙে পড়ে গোটা পরিবার। দিশেহারা হয়ে কিংকর্তব্য বিমূঢ় হয়ে পড়েন তাঁরা। ছেলের আত্মহত্যার খবর পেয়ে শোকস্তব্ধ অধ্যায়নের মা অর্থাৎ শেখর সুমনের স্ত্রী। তাঁকে সেই সময় কোনো সান্ত্বনা দিয়েই থামানো যাচ্ছিল না।

ছেলে আয়ূষ সুমনকে হারানোর পর থেকে মানসিকভাবে খুবই বিপর্যস্ত অবস্থায় সময় কাটিয়েছেন তাঁরা ।
শেখর সুমনের বড় ছেলে আয়ূষ এন্ডোকার্ডিয়াল মায়োফাইব্রোসিস আক্রান্ত ছিলেন। আয়ূষ ১৯৮৩ সালে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

১৯৯০ সালের শেষের দিকে শেখর এবং তার পরিবার ছেলের এই রোগ সম্পর্কে জানতে পার । চার বছর টানা জীবন যুদ্ধ চালানোর ১৯৯৪ সালের ২২ জুলাই আয়ূষ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন । বর্তমানে একমাত্র ছেলে অধ্যায়নকে নিয়েই তাঁরা বেঁচে রয়েছেন। ওই সময় অধ্যায়ন দিল্লিতে ছিলেন। যে কোনও কারণেই তাঁর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ স্থাপন করা যাচ্ছিল না। ফলে কী হয়েছে, বুঝতে পারছিলেন না তাঁরা।

রবিবার শেখর সুমন তার টুইটার হ্যান্ডেলটিতে গর্জে ওঠেন তাঁর ছেলের মৃত্যুর ভুয়ো খবর প্রকশ করা নিয়ে। সংশ্লিষ্ট সংবাদ মাধ্যমের নাম নিয়ে তার উদেশ্য তোপ দাগেন তিনি। তাঁর ছেলেকে নিয়ে কেন এরকম ভুয়ো খবর ছড়ানো হল তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি।

এই সংবাদ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যে তাঁর ছেলে অধ্যায়ন সুমন আত্মহত্যা করেছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন একটি ভিডিও ভেসে উঠতে দেখে আঁতকে ওঠেন তিনি। মিথ্যে খবর ছড়ানোর জেরে তিনি মামলা দায়ের করবেন বলেও জানান শেখর সুমন। শেখর সুমন জানিয়েছেন উদ্ধব ঠাকরের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের কাছেও তিনি এ বিষয়ে অভিযোগ করবেন। তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী প্রকাশ জাভাদেকারকেও তিনি এই বিষয়ে ট্যাগ করেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।