ঢাকা: সীমান্তের ওপারেই পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী শহর কলকাতা লণ্ডভণ্ড। বঙ্গোপসাগের তিনটি উপকূলীয় জেলা পূর্ব মেদিনীপুর, দ.২৪পরগনা, উ.২৪পরগনায় বিপুল ক্ষতি করেছে আমফান। আর বাংলাদেশে ঢুকে শক্তি হারালেও তার তাণ্ডবে ৫১ লক্ষ মানুষ বিপর্যস্ত।

সামুদ্রিক ঝড়টির আঘাতে বাংলাদেশের উপকূল অংশের ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ১,১০০ কোটি টাকা। এই অবস্থায় ত্রাণ ও দুর্গতদের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করলেন।

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) জানাচ্ছে, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই ত্রাণ বিতরণের কাজ শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় বিশুদ্ধ জল সরবরাহ, বিদ্যুৎ লাইন মেরামত, কৃষি ও গবাদি পশু এবং সড়ক, বাঁধ ও ঘরবাড়ির ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের কাজও চলছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মহম্মদ তোফাজ্জল হোসেন মিয়া জানিয়েছেন, প্রতিমুহূর্তের তথ্য এবং সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। ক্ষতিগ্রস্তদের ঘর নির্মাণ এবং অর্থ ও ত্রাণ সহায়তা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন শেখ হাসিনা।

সেই নির্দেশ অনুসারে, উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া, তাদের খাবার ব্যবস্থা করা, নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা ও চিকিৎসা চালু রাখা হয়েছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান জানিয়েছেন, ১,১০০ কোটি টাকা ক্ষতির প্রাথমিক হিসাব আমরা পেয়েছি। সারাদেশে মোট ক্ষয়ক্ষতির তথ্য জানতে অন্তত সাতদিন সময় লাগবে।