ঢাকা: ক্ষমতায় থেকে বাবার শতবর্ষ পালনের মুহূর্তকে জীবনের বড় প্রাপ্তি বলেই মনে করছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। বুধবার জাতীয় সংসদে এমন কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। হাসিনার কথায়, আমার সৌভাগ্য ২০২০ সালে আমরা সরকারে আছি। আর সরকারে আছি বলেই আমরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন করার সুযোগ পেয়েছি। যে নামটা এক সময় বাংলাদেশের ইতিহাস থেকে মুছে ফেলা হয়েছিল।

ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শতবর্ষ। এই উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে ‘মুজিববর্ষ’ ‍উৎযাপন কমিটি। এছাড়া মুজিববর্ষ সফল করতে আরও ৮টি উপকমিটি কাজ করছে। কিছুদিন আগেই প্যারেড গ্রাউন্ডে বঙ্গবন্ধু কন্যা তথা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিক ভাবে শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবর্ষ উদযাপনের কাউন্টডাউন উদ্বোধন করেন।

নতুন বছর দেশের বিভিন্ন জায়গায় ৮৩টি ‘কাউন্টডাউন ক্লক’ বসানো হয়েছে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষের দিন গণনার জন্যই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। নানা জেলায় বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে পালিত হতে শুরু করেছে বঙ্গবন্ধুর শতবর্ষ।

পাকিস্তানের জেল থেকে মুক্তি পেয়ে লন্ডন ও নয়াদিল্লি হয়ে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি স্বাধীন স্বদেশের বুকে ফিরে এসেছিলেন মুজিবুর। ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন। সরকারি ভাবে জানানো হয়েছে সারা দেশে শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবর্ষের জন্য নানা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বঙ্গবন্ধুর শতবর্ষের নানা অনুষ্ঠান নিয়ে আশাবাদী উদযাপন জাতীয় কমিটির চেয়ারম্যান কামাল চৌধুরী।