চট্টগ্রাম: ভোটের বাজারে তারাই লাভজনক ! দেশহীন লক্ষ লক্ষ মানুষের একটা বড় অংশকে ব্যবহার করতে পারলেই কেল্লা ফতে ! তরতরিয়ে ভোটের লড়াইয়ে প্রতিপক্ষকে পিছনে ফেলা সম্ভব হবে৷ ফলে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া মায়ানমারের রোহিঙ্গাদের চাহিদা এখন তুঙ্গে৷

নির্বাচন কমিশনের আশঙ্কা, বিভিন্ন দল ইতিমধ্যেই জাল ভোটার তৈরি করে ভোট লড়াইয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছে৷ সেই কাজে ব্যবহার করা হয়েছে রোহিঙ্গাদের৷ কারণ বিভিন্ন জাল নথি দেখিয়ে আগে থেকেই অনেক রোহিঙ্গা ভোটার লিস্টে নাম তুলে নিয়েছে৷ তাদের কোনওভাবেই চিহ্নিত করা সম্ভব নয়৷ আরও অভিযোগ, এছাড়া ভোটের দিন ভুয়ো ভোটারের কাজের জন্য দেওয়া হচ্ছে টাকা৷

৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় নির্বাচনে কোনও দল বা গোষ্ঠী যেন শরণার্থী রোহিঙ্গাদের ভোটে ব্যবহার করতে না পারে, সেজন্য সব রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কড়াকড়ি নজরদারি চলছে৷ জারি হয়েছে পুলিশ, র‌্যাব বাহিনীর কড়া পাহারা৷বঙ্গোপসাগর উপকূলবর্তী কক্সবাজারের, উখিয়া, টেকনাফে শুরু হয়েছে তল্লাশি৷ রোহিঙ্গারা ক্যাম্পের বাইরে যেন না যেতে পারে তার ব্যবস্থা করেছে প্রশাসন৷ অনেকেই বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে দিন মজুরের কাজ করেন, সেই কাজ আপাতত বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷

পড়ুন: পদ্মাপারে ভোট: অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রে সম্ভারে পার্বত্য চট্টগ্রামে রক্ত ঝরার আশঙ্কা

আগেই গোয়েন্দা বিভাগ সতর্কতা জারি করেছে, নির্বাচনের সময় রোহিঙ্গাদের মধ্যে ছড়িয়ে থাকা উগ্র ইসলামিক গোষ্ঠী নাশকতার চেষ্টা করবে৷ ইতিমধ্যেই কমান্ডো প্রক্রিয়া হামলা চালানোর পরিকল্পনা করেছে জেএমবি৷ এই জঙ্গি সংগঠনের কয়েকজনকে বিপুল পরিমাণে কমান্ডো ছুরি সহ গ্রেফতার করা হয়েছে৷ ফলে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গা শরণার্থীদের উপর বিশেষ নজরদারি চালানো শুরু হয়েছে৷

আরও পড়ুন: কমান্ডো কায়দায় বর্ষশেষ রাতে বাংলাদেশে হামলার ছক বানচাল