নয়াদিল্লি : ৫ই অগাষ্ট রাম মন্দিরের ভূমি পুজো। তার আগে চলছে প্রস্তুতির তোড়জোড়। তবে এরই মধ্যে নাশকতার হুমকি নয়াদিল্লি ও অযোধ্যায়। এনডিটিভির এক সূত্র জানাচ্ছে ভূমি পূজার দিন এই নাশকতা চালাতে পারে জঙ্গি সংগঠন। গোয়েন্দাদের কাছে এই মর্মে তথ্য রয়েছে।

এছাড়াও নাশকতার আশঙ্কা রয়েছে নয়াদিল্লি জুড়েও। ১৫ই অগাষ্ট অর্থাৎ স্বাধীনতা দিবসের দিন নাশকতা হতে পারে নয়াদিল্লিতে, জানাচ্ছেন গোয়েন্দারা। দুটি জায়গাতেই নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। জম্মু কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা তুলে নেওয়ার জেরেই এই নাশকতা চালানো হতে পারে বলে খবর। একই সঙ্গে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে জম্মু কাশ্মীরেও।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর অযোধ্যায় ভূমি পুজোতে উপস্থিত থাকার কথা। উপস্থিত থাকবেন বিজেপি নেতা লালকৃষ্ণ আদবানি, মুরলি মনোহর যোশী, উমা ভারতী। আরএসএসের বেশ কয়েকজন নেতা থাকবেন এই অনুষ্ঠানে। গোয়েন্দা সূত্রে খবর অযোধ্যা ও নয়াদিল্লিতে নাশকতা করার জন্য প্ল্যান করেছে পাকিস্তানের আইএসআই। এনডিটিভি জানাচ্ছে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন লস্কর ই তইবা ও জইশ ই মহম্মদ এই ষড়যন্ত্রে সামিল হয়েছে।

জানা গিয়েছে, এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করতে তিনটি জঙ্গিদলকে ভারতে পাঠানো হয়েছে। প্রতিটি দলে ৩ থেকে ৫জন করে জঙ্গি রয়েছে। এরা প্রত্যেকে আফগানিস্তান থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে এসেছে। এরা প্রত্যেকে পৃথক পৃথক ভাবে হামলা চালাতে পারদর্শী বলে খবর।

উল্লেখ্য ২০০৫ সালের জুলাই মাসে অযোধ্যায় অস্থায়ী রামমন্দিরে হামলা চালানোর চেষ্টা করে জঙ্গিরা। এদিকে, বুধবারও বড়সড় অনুপ্রবেশের ছক বানচাল করল ভারতীয় সেনা। বুধবার রাতে নিয়ন্ত্রণরেখা পেরিয়ে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ। তবে সেই পরিকল্পনা ভেস্তে যায়।

সূত্রের খবর, জম্মু কাশ্মীরের রাজৌরি জেলার নৌসেরা সেক্টরে টহলদারি চালাচ্ছিল সেনা। তখনই সীমান্তের নিয়ন্ত্রণ রেখায় সন্দেহজনক গতিবিধি টের পায় সেনা। সঙ্গে সঙ্গে গুলি চালায় ভারতীয় সেনা। মারা যায় দুই পাকিস্তানি অনুপ্রবেশকারী। আরেক জন গুরুতর আহত হয়েছে বলে খবর।

সেনা জানিয়েছে, বেশ কিছুক্ষণ অনুপ্রবেশকারী জঙ্গিদের সাথে গুলির লড়াই চলে সেনার। আচমকাই ওই এলাকায় একটি ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণ হয়। এই ঘটনায় দুই জঙ্গি খতম হয়েছে। একজন গুরুতর আহত।

এখনও ওই জঙ্গিদের দেহ উদ্ধার করা যায়নি বলে খবর। মনে করা হচ্ছে, ওই জঙ্গিদের দলে আরও কয়েকজন ছিল, যারা এলাকা ছেড়ে যাওয়ার সময় দেহগুলিকে নিয়ে যায়। গোটা এলাকা ঘিরে ফেলা হয়েছে ও তল্লাশি চলছে বলে জানিয়েছে সেনা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I