নয়াদিল্লি:  জঙ্গি হামলার আশঙ্কা ভারত-বাংলাদেশ প্রথম টি-২০ ম্যাচে।আতঙ্কবাদীদের নিশানায় ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলি। স্বাভাবিকভাবেই দিল্লিতে নিশ্চিদ্র করা হচ্ছে টিম ইন্ডিয়ার নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

আগামী ৩ নভেম্বর দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সিরিজের প্রথম টি-২০ ম্যাচ খেলতে নামবে ভারত। সেই ম্যাচ ঘিরেই জঙ্গি হামলার আশঙ্কা তৈরি হয় বেনামী চিঠিতে। ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি বা সংক্ষেপে এনআইএ’র কাছে একটি চিঠি পৌঁছয়, যেখানে ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলি জঙ্গিদের নিশানায় রয়েছে বলে উল্লেখ রয়েছে। এনআইএ তড়িঘড়ি সতর্ক করে দিল্লি পুলিশকে।

বিসিসিআই-এর কাছেও পৌঁছেছে চিঠির প্রতিলিপি। প্রাথমিকভাবে ভুয়ো চিঠিতে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা বলে মনে করা হলেও ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা নিয়ে কোনও ঝুঁকি নিতে রাজি নয় দিল্লি পুলিশ। ফলে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ভারত ও সফরকারী বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরো জোরালো করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দিল্লি পুলিশ সূত্রের খবর, একা বিরাট কোহলির নয়, বেনামি চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সহ একাধিক রাজনৈতিক শীর্ষ নেতার নামও রয়েছে, যাঁদের জঙ্গিরা টার্গেট করছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

মোদী ছাড়া এই তালিকায় রয়েছেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপির বর্ষিয়ান নেতা লালকৃষ্ণ আদবানি, বিজেপির কার্যকরী সভাপতি জেপি নাড্ডা ও সংঘ প্রধান মোহন ভাগবত। চিঠিতে বলা হয়েছে, অল ইন্ডিয়া লস্কর বিরাট কোহলি ও এই সমস্ত রাজনৈতিক নেতাদের হত্যার ছক কষছে। এমন পরিস্থিতিতে আপাতত ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরালো করা ছাড়া বিকল্প কোনও রাস্তা খোলা নেই দিল্লি পুলিশের সামনে।

এমন হুমকি অগ্রাহ্য করলে লাহোরের গদ্দাফি স্টেডিয়ামে শ্রীলঙ্কার টিম বাসে সন্ত্রাসবাদী হামলার মতো ঘটনা ঘটতে পারে। সতর্কবার্তা থাকা সত্ত্বেও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে জবাব দেওয়ার রাস্তা খোলা থাকবে না দিল্লি পুলিশের সামনে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।