স্টাফ রিপোর্টার, তমলুক: রাত পোহালেই ভারতের সপ্তদশ লোকসভার প্রার্থীদের ভাগ্য নির্ধারণ। গত ১৯ মে ভারতের সপ্তদশ লোকসভার নির্বাচন শেষ হয়েছে। ইভিএম ও ভিভিপ্যাড স্ট্রং রুমে রাখা হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার দুটি লোকসভা কেন্দ্র। একটি তমলুক অপরটি কাঁথি।

কাঁথি লোকসভা কেন্দ্রের গণনা হবে কাঁথি পিকে কলেজে আর তমলুক লোকসভা কেন্দ্রের ভোট গণনা হবে কেটিপিপি হাইস্কুলে। কাঁথির পাশাপাশি তমলুকের গণনা কেন্দ্রে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভোট গণনা কেন্দ্রে সিসিটিভি, অলটাইম ভিডিও গ্রাফির ব্যবস্থা রয়েছে। গণনা কেন্দ্রের ভিতর কে ঢুকছেন আর কে বেরচ্ছেন তা সবই লিপিবদ্ধ ও ভিডিও রেকর্ডিং করার হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার সকাল আটটা থেকে গণনার কাজ শুরু হবে। ভোট গণনা কেন্দ্র তিনটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভোট গণনা কেন্দ্র থেকে ১০০ মিটার পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। জেলা পুলিশের পাশাপাশি কেন্দ্রীয়বাহিনী কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে। শুধু সময়ের অপেক্ষা মাত্র।

ইভিএমে মোদী-অমিত শাহেরা কারচুপি করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেজন্যে কর্মীদের রাতের অন্ধকারে স্ট্রং রুমগুলিতে নজরদারি চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন তিনি৷ সেই নির্দেশ মতো পূর্ব মেদিনীপুর জেলার দুটি লোকসভা তমলুক ও কাঁথি গণনা কেন্দ্রে কড়া নজরদারির মধ্যে রেখেছে তৃণমূল নেতৃত্ব।

কাঁথি ও তমলুক লোকসভার ভোট গণনা কেন্দ্রে সরকারিভাবে কড়া পুলিশ পাহারার পাশাপাশি রয়েছে তৃণমূলের নেতৃত্বরাও৷ গেটের সামনে নজরদারি চালাতে দেখা গিয়েছে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের।