তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়া: প্রায় এক সপ্তাহ পর ছন্দে ফিরছে রাজনৈতিক সন্ত্রাসে উত্তপ্ত বাঁকুড়ার পাত্রসায়রের কাঁকরডাঙ্গা মোড়। এলাকায় পুলিশি নিরাপত্তা বাড়ানোর পাশাপাশি বেশ কিছু সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। প্রশাসনের এই উদ্যোগে খুশি স্থানীয় মানুষ।

তবে এতো সবের পরেও প্রশাসনের দায়িত্বশীল ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু হয়েছে। অনেকে বলছেন প্রশাসন এই ধরণের ইতিবাচক পদক্ষেপ আগে নিলে কয়েক দিন ধরে ঘটে চলা অপ্রীতিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হতো না। সূত্রের খবর, যথেষ্ট পুলিশি পাহারার পাশাপাশি কাঁকরডাঙ্গা মোড়ে চারটি ও বিজেপির পাত্রসায়র মণ্ডল-২ অফিসের সামনে একটি সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত শনিবার তৃণমূল নেতা ও রাজ্যের মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী পাত্রসায়রে দলীয় কর্মসূচী সেরে ফেরার পর পাত্রসায়রের কাঁকরডাঙ্গা মোড়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ হন অষ্টম শ্রেণীর এক ছাত্র সহ তিন জন। ওই দিন রাতেই বছর তেরোর স্কুল পড়ুয়া সৌমেন বাউরী, তাপস বাউরী ও টুলু খাঁকে গুরুতর আহত অবস্থায় বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভরতি করা হয়। এই ঘটনার পর বিজেপি তাদের সমর্থকদের পুলিশের গুলি চালনার অভিযোগ তোলে।

ওই দিনই বিজেপির স্থানীয় মণ্ডল সভাপতি তমাল কান্তি গুঁইকে গ্রেফতার করায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। মঙ্গলবার বিকেলে এই এলাকা ঘুরে গিয়েছেন বিজেপি নেতা মুকুল রায় স্বয়ং। বৃহস্পতিবার ফের ওই এলাকায় গিয়ে দেখা গেল, অধিকাংশ দোকানপাট খুলেছে। সাধারণ মানুষ রাস্তায় বেরিয়েছেন। যান চলাচল করছে। স্বাভাবিক পরিস্থিতির দিকেই এখন পাত্রসায়রের কাঁকরডাঙ্গা মোড়।

স্থানীয় ব্যবসায়ী দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, শ্রীজিদ্বীপ কুণ্ডুরা বলেন, একেবারে স্বাভাবিক না হলেও পরিস্থিতি অনেকটাই শান্ত। সাহস করে মানুষ রাস্তায় বেরচ্ছেন। প্রশাসনের তরফে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় জোর দেওয়া হয়েছে। সিসি ক্যামেরা লাগানোর পর ঝামেলার পরিমাণ কিছুটা হলেও কম হবে বলে তারা মনে করছেন।

পুলিশের পক্ষ থেকে এলাকায় শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। যেকোনো ধরণের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হলে প্রশাসন দৃঢ় পদক্ষেপ নেবে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I