ঢাকা ও সাতক্ষীরা: বাংলাদেশ সফরের মাঝে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরোধিতায় সরব বিভিন্ন সংগঠন ও ইসলামপন্থী দলগুলি৷ শনিবার দেশজুড়ে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দিয়েছে হেফাজতে ইসলাম৷ বিক্ষোভের জেরে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষে বেশকয়েকজন গুলিতে মৃত৷ এর ফলে বিক্ষোভের জের ছড়িয়েছে বিভিন্ন জেলায়৷ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে মোদীর সফরের মাঝে বিতর্কিত পরিস্থিতিতে বিব্রত সরকার৷ ঢাকা সহ দেশজুড়ে মোতায়েন করা হয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) বাহিনি৷ শনিবার গভীর রাত থেকেই বিজিবি টহল শুরু করেছে৷ চট্টগ্রামে হেফাজতে ইসলামের বিক্ষোভ ছিল রক্তাক্ত৷

এদিকে সফরের সূচিতে সাতক্ষীরায় পৌঁছে যান মোদী৷ শনিবার সকালে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টার যোগে তিনি সাতক্ষীরার শ্যামনগর পৌঁছন। সেখানে যশোরেশ্বরী কালীমন্দির পরিদর্শন করে পুজো দেন৷ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে গিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। টুঙ্গিপাড়া থেকে তিনি গোপালগঞ্জের ওড়াকান্দিতে পরিদর্সন করবেন৷ সেখানে মতুয়া সম্প্রদায়ের প্রাণপুরুষ হরিচাঁদ ঠাকুরের মন্দির দর্শন করবেন৷ কূটনৈতিক মহলের অভিমত, পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল সংখ্যকক মতুয়া ভোটারের দিকে তাকিয়ে মোদীর সফরসূচিতে এসেছে ওড়াকান্দি৷

আরও খবর পড়ুন – বাংলাদেশ ৫০: মোদীর সফরের বিরোধিতা ছড়াচ্ছে, পুলিশের গুলিতে মৃত কয়েকজন

আর বাংলাদেশের ইসলামি সংগঠনগুলির অভিযোগ, মোদীর রাজনীতি ইসলাম বিরোধী৷ তাঁকে কোনওভাবেই বাংলাদেশের মতো মুসলিম অধ্যুষিত দেশে আমন্ত্রণ জানানোর চরম বিরোধিতা করা হবে৷ এই কারণে শনিবার সারাদেশে বিক্ষোভ এবং রোববার হরতালের ডাক দিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। সংগঠনটির সঙ্গে শুক্রবার থেকেই বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ চলছে৷ চট্টগ্রামের পরিস্থিতি রীতিমতো উদ্বেগজনক৷ ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সফরের বিরোধিতায় সরব কিছু ছাত্র সংগঠন৷ তাদের সঙ্গে সরকারে থাকা দল আওয়ামী লীগের শাখা ছাত্র লীগের সংঘর্ষে কয়েকজন জখম হয়েছে৷

সাতক্ষীরা থেকে দুপুরে ঢাকায় ফিরবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিকাল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে মোদীর আনুষ্ঠানিক আলোচনা হবে৷ তার আগে দুই প্রধানমন্ত্রী একান্তে আলোচনা করবেন। এরপর বঙ্গভবনে গিয়ে রাষ্ট্রপতি মহম্মদ আবদুল হামিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে ঢাকা ছেড়ে যাবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.