প্রত্যেকেরই এমন কিছু না কিছু গল্প আছে ভাবতে বসলে আর সেই ভাবনা শেষ হতে চায় না। এমন একটা খেলার কথা আপনাদের কি কারো মনে পড়ে যেখানে আমরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসেই রইতাম এবং কেউ আমাদের খুঁজে পাচ্ছে না এমন কিছু হতো?

এবার পড়ুন এমন কিছু বাড়ির গল্প যা খুঁজে পাওয়া তো দূর মানুষ অনেকে এর নামও জানে না।

গ্রাউন্ড হাউজ: মাটির নিচে বাড়ি লুকিয়ে রয়েছে। এই বাড়িটি হলো গ্রাউন্ড হাউজ।

বাড়িটি এতটা দারুণভাবে তৈরি করা যে এর ছাদ মাটির উপরের অংশে রয়েছে। পাহাড়ের অসাধারণ দৃশ্য দেখা যায় সেখান থেকে।

আরো পোস্ট-  অ্যান্টিবায়োটিকে এই খাবার ভুলেও না

দূর থেকে বাড়িটির ছাদের খোলা অংশ দেখলে মনে হয়, কোনো এক স্যাটেলাইট অথবা কোনো মিলিটারির গোপন প্রজেক্ট সেটা। গ্রিসে এমন অনেক বাড়ি আপনি পাবেন। সবচেয়ে বিখ্যাত হলো মারজিয়া হাউজ।

মাটির নিচে আস্ত টাউন: অস্ট্রেলিয়ার উত্তর দক্ষিণ বরাবর এটি অবস্থিত। কুবার পেডি নামক একটি আস্ত শহর রয়েছে মাটির তলদেশে।

এ বার আরো অবাক করা তথ্য হলো যে এতে বাস করে প্রায় তিন হাজারেরও বেশী মানুষ। এক পিতা ও পুত্র কপার স্টোন খুঁজতে গিয়ে আবিষ্কার করে এই পথ।

মাটির নীচটা অদ্ভুত রকম ঠাণ্ডা।

আমাজন হাউজ: আমাজন জঙ্গলের কথা আমরা সবাই জানি ও বইয়েও পড়েছি। অথচ এর মাঝেও যে লুকিয়ে আছে গোপন বাড়ি সেই তথ্য কেউ দিয়েছে কি?

হেলিকপ্টার দিয়ে বন ঘেষে উড়ে গেলেও এই জায়গাগুলো দেখতে পাওয়া যায় না।

মাউন্টেন কেবিন: নরওয়ের এই মাউন্টেন কেবিনটি দেখলে বুঝবেন যে সত্যি কত অভিনব কায়দায় ঘর বাড়ি তৈরি করা সম্ভব আজকাল। বাড়ি সম্পূর্ণ কাঠ এবং পাথরের তৈরী।

লেগেছে সব প্রাকৃতিক উপাদান। এর ছাদের উপর জায়গার হেলানো অংশটি তৈরি করা হয়েছে আবার ঘাস দিয়ে।

চারিদিকের পাহাড়ের মাঝে একে আলাদাভাবে খুঁজে বের করা কঠিন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.