নয়াদিল্লি: ফের কে-ফোর মিসাইলের সফল উৎক্ষেপণ করল ভারত। এই নিয়ে ৬ দিনের মধ্যে দ্বিতীয় বার এই মিসাইল উৎক্ষেপণ করল ভারত। শুক্রবার বিশাখাপত্তনমের উপকূল থেকে এই ব্যালেস্টিক মিসাইলটিকে উৎক্ষেপণ করা হল।

সমুদ্রের নীচে একটি প্লাটফর্ম থেকে উৎক্ষেপণ করা হয় ওই মিসাইলের। মিসাইলটি ৩৫০০ দূরত্বের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। বিশেষজ্ঞরা আগেই আশা করেছিলেন যে, এই মিসাইলটিকে অন্তর্ভুক্তিকরণের আগে আরও পরীক্ষা করা হতে পারে । সেই কথা সত্যি করে ৬ দিনের মধ্যে দ্বিতীয় বার সফল উৎক্ষেপিত হল ব্যালেস্টিক মিসাইল কে-ফোর।

মনে রাখতে হবে, এই মিসাইলটি তৈরি করা হয়েছে ভারতেই। ডিআরডিও-এর অধীনে তৈরি এই মিসাইল ভারতীয় নেভির হাতে এলে তা যে ভারতীয় সেনার ব্যাপক শক্তি বৃদ্ধি করবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

পরমাণু শক্তিচালিত অ্যারিহান্ত ক্লাস সাবমেরিনে যুক্ত করা হবে এই কে ফোর মিসাইলটিকে। উল্লেখ্য, ডিআরডিও যে দুটি আন্ডার ওয়াটার মিসাইল তৈরি করেছে, তার মধ্যে কে ফোর হল একটি। অন্যটি হল ৭০০ কিলোমিটারের বেশি স্ট্রাইক রেঞ্জের বিও ফাইভ ক্ষেপণাস্ত্র।

অন্যদিকে, ভারত মহাসাগর অঞ্চলে ক্রমেই শক্তিবৃদ্ধি করছে ভারতীয় সেনা। চলতি সপ্তাহের সোমবার থাঞ্জাভুর বায়ুসেনা ঘাঁটিতে ২২২ ‘টাইগারশার্ক’ স্কোয়াড্রনের উদ্বোধন করেন চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ বিপিন রাওয়াত। প্রথম স্কোয়াড্রনটি ভারত মহাসাগর অঞ্চলে (আইওআর) চিনের ক্রমবর্ধমান দাপটকে ঠেকিয়ে ভারতকে শক্তিশালী করবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I