নয়াদিল্লি: করোনার গ্রাসে গোটা বিশ্ব। মারণ ভাইরাসের হানায় থরহরি কম্প দশা ভারতেও। প্রতিদিন হাজার-হাজার মানুষ নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছেন। ইতিমধ্যেই ভারতের দুটি সংস্থা করোনার প্রতিষেধক তৈরিতে হিউম্যান ট্রায়ালের ছাড়পত্র পেয়েছে। ১৩ জুলাই থেকে হায়দরাবাদের সংস্থা ভারত বায়োটেক করোনা প্রতিষেধকের হিউম্যান ট্রায়াল শুরু করবে।

একইভাবে আহমেদাবাদের জাইডাস ক্যাডিলা সংস্থাটিও তাঁদের তৈরি করোনার প্রতিষেধক ZyCov-D-এর হিউম্যান ট্রায়াল শুরু করছে শীঘ্রই। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ৩ মাসের মধ্যেই তাঁদের তৈরি ভ্যাক্সিনের ট্রায়াল প্রসেস শেষ হতে পারে।

করোনার প্রতিষেধক আবিষ্কারে কোমর বেঁধে নেমেছে বিশ্বের তাবড় দেশের গবেষকরা। পিছিয়ে নেই ভারতও। ইতিমধ্যেই ভারতের দুটি সংস্থা করোনার প্রতিষেধকের হিউম্যান ট্রায়ালের ছাড়পত্র পেয়েছে।

হায়দরাবাদের সংস্থা ভারত বায়োটেকের তৈরি COVAXIN এবং আহমেদাবাদের সংস্থা জাইডাস ক্যাডিলার ZyCov-D এই দু’টি করোনা প্রতিষেধক ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অব ইন্ডিয়ার থেকে হিউম্যান ট্রায়ালের অনুমতি পেয়েছে।

Covaxin-এর প্রথম পর্যায়ের হিউম্যান ট্রায়াল ১৩ জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে। দু’টি পর্যায়ে মোট ১,১০০ জনের উপর পরীক্ষামূলক ভাবে এই প্রতিষেধক প্রয়োগ করা হবে। এরই পাশাপাশি দু’দফায় মোট হাজার জনের উপর আহমেদাবাদের সংস্থা জাইডাস ক্যাডিলা তাদের তৈরি ভ্যাক্সিন প্রয়োগ করবে।

জাইডাস ক্যাডিলার তরফে জানানো হয়েছে, দু’দফার হিউম্যান ট্রায়ালে সফল হলে প্রতিষেধকের পরবর্তী ট্রায়ালের অনুমতি মিলতে পারে। এই প্রতিষেধকের হিউম্যান ট্রায়াল শেষ হতে মোটামুটি তিন মাস সময় লাগতে পারে বলে মনে করছেন তিনি।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ