মুম্বই:  বাজার নিয়ন্ত্রক সেবি ইনফোসিসের ম্যানেজমেন্টের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করল৷কারণ এই তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থার দুই কর্তার বিরুদ্ধে অনৈতিক পদ্ধতিতে কাজের অভিযোগ উঠেছে৷ ইনফোসিসের কয়েক জন কর্মী সিইও সলিল পারেখ ও সিএফও নীলাঞ্জন রায়ের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনৈতিক পদ্ধতি অবলম্বনের অভিযোগ তোলেন।

তাদের সেই অভিযোগের মধ্যে ছিল – সংস্থার আয় ও মুনাফা বেশি দেখাতে অনেক ক্ষেত্রে এই দুই কর্তা অনৈতিক পদ্ধতি অবলম্বন করেছেন। তাঁদের ই-মেল এবং কথাবার্তার ভয়েস রেকর্ডিং থেকে যার প্রমাণ মেলে বলে দাবি করা হয়৷ তবে বোর্ড থেকে কোনও জবাব না আসায় তখন একজন হুইসলব্লোয়ার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হুইসলব্লোয়ার প্রোটেকশন প্রোগ্রামে চিঠি পাঠান। যাতে অভিযোগ করা হয়- এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ইচ্ছাকৃতভাবে হিসাবের ক্ষেত্রে বেনিয়ম দেখানো হয়েছে। এদিকে,ইনফোসিস দুই কর্তা সিইও সলিল পারেখ ও সিএফও নীলাঞ্জন রায়ের বিরুদ্ধে ওঠা অনৈতিক পদ্ধতিতে কাজের অভিযোগের খতিয়ে দেখতে এবার নিরপেক্ষ তদন্ত করবে সংস্থার অডিট কমিটি।

এই বিষয়ে নিরপেক্ষ অন্তর্বর্তী অডিটর আর্নস্ট অ্যান্ড ইয়ং (ইওয়াই)-এর পরামর্শ নিচ্ছে অডিট কমিটি। পাশাপাশি এই নিরপেক্ষ তদন্ত করতে আইনি সংস্থা শার্দুল অমরচাঁদ মঙ্গলদাস অ্যান্ড কোম্পানি-কে নিয়োগ করা হয়েছে। যা ইতিমধ্যেই ইনফোসিস চেয়ারম্যান নন্দন নিলেকানি দেশের বিভিন্ন শেয়ারবাজারগুলিকে জানিয়েছেন। নিলেকানি ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন, ২০ ও ৩০ সেপ্টেম্বর একজন বোর্ড সদস্য দুটি হুইসলব্লোয়ার অভিযোগ পেয়েছিলেন।এরপর দুটি অভিযোগই ১০ অক্টোবর অডিট কমিটির কাছে এবং পরের দিন বোর্ডের নন-এগজিকিউটিভ সদস্যদের কাছে পেশ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, দু’বছর আগে ২০১৭ সালে সংস্থার গর্ভন্যান্সে ত্রুটির অভিযোগ নিয়ে ইনফোসিস প্রতিষ্ঠাতাদের সঙ্গে তৎকালীন ম্যানেজমেন্টের মধ্যে সংঘাত লেগেছিল। তারই জেরে তখন সংস্থার তৎকালীন সিইও বিশাল সিক্কা কাজ ছাড়েন এবং ইনফোসিসের অন্যতম সহ-প্রতিষ্ঠাতা নন্দন নিলেকানিকে নিয়ে আসা হয় সংস্থার চেয়ারম্যান করে৷ এরপর গত বছরের জানুয়ারিতে সলিল পারেখ ইনফোসিসে সিইও হিসাবে যোগ দেন।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

Tree-bute: রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও