মুম্বই: বাজার নিয়ন্ত্রক সেবি নোটিশ পাঠাল আইসিআইসিআই ব্যাংকের সিইও এবং এমডি চন্দা কোছারের কাছে৷ ভিডিওকন গোষ্ঠী এবং নিউপাওয়ারের সঙ্গে তার স্বামী দীপক কোছারের স্বার্থ কতটা জড়িত তা জানতে চাওয়া হয়েছে৷

প্রসঙ্গত অভিযোগ উঠেছে ভিডিওকনকে ৩২৫০ কোটি টাকার ঋণ অনুমোদন করে আইসিআইসিআই ব্যাংক যাতে স্বার্থগত সংঘাত রয়েছে৷ ২০১২ সালে ২০টি ব্যাংকের কনসোট্রিয়াম যে ৪০,০০০ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছিল এটা তারই অংশ৷

অভিযোগ ২০১০ সালে বেণুগোপাল ধূত ৬৪ কোটি টাকা দিয়ে পুরোপুরি মালিকানাধীন নিউপাওয়ায় রিনিওবেলস প্রাইভেট লিমিটেড নামে সংস্থা গড়েন দীপক কোছার এবং তাঁর দুই আত্মীয়কে সঙ্গে নিয়ে৷ তাছাড়া ওই ঋণ নেওয়ার ছয় মাসের মধ্যেই ৯ লক্ষ টাকায় বেণু গোপাল ধূত তার মালিকানা হস্তান্তরিত করেন একটি ট্রাস্টের কাছে যার মালিক দীপক কোছার৷

 

ওই ঋণের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় তদন্ত ব্যুরো (সিবিআই) আইসিআইসিআই ব্যাংকের সিইও চন্দা কোছারের স্বামী দীপক কোছার ও ভিডিওকনের চেয়ারম্যান বেণুগোপাল ধূতের বিরুদ্ধে প্রাথমিক তদন্ত নথিভুক্ত করেছে ৷

এদিকে গত ছয় বছর ধরে চন্দা কোছারের দেওর রাজীব কোছারের সংস্থা অবিস্তা অ্যাডভাইসরি-কে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিদেশি সাতটি সংস্থাকে দেওয়া ১.৭ বিলিয়ন ডলারের ঋণ পুনর্গঠন করার৷

এক্ষেত্রে অবিস্তা অ্যাডভাইসরি কথা অনুসারে তাদের ভূমিকা রয়েছে জয়প্রকাশ অ্যাসোসিয়েটস, জয়প্রকাশ পাওয়ার ভেঞ্চার, জিটিএল ইনফ্রাস্টাকটার,সুজলন, জেএসএল এবং ভিডিওকন গোষ্ঠী ঋণ পুনর্গঠনের পরামর্শদাতা হিসেবে৷

আইসিআইসিআই ব্যাংক থেকে এভাবে ঋণ দেওয়া নিয়ে ব্যাংকের স্বার্থগত সংঘাত হয়েছে বলে যে অভিযোগ উঠেছে তা খতিয়ে দেখতেই তদন্তে করছে সিবিআই৷ তারই জেরে বৃহস্পতিবার রাজীব দেশ ছেড়ে পালাতে গেলে মুম্বই বিমানবনন্দরে আটকান হয় কারণ সিবিআই তাঁর বিরুদ্ধেও লুক আউট সার্কুলার ইস্যু করেছিল৷ এরপর তাকে জেরা করে সিবিআই৷