ফ্রান্সের আল্পসে ভেঙে পড়া বিমানের কো-পাইলট আন্দ্রেয়াস লুবিৎসের বাড়িতে তল্লাশি চালাল পুলিশ। একটি কম্পিউটারসহ বেশ কিছু জিনিসপত্র আটক করা হয়েছে। কো-পাইলট নিজেই বিমানটি পর্বতের মধ্যে আছড়ে ফেলেন, এই তথ্য সামনে আসার পরই এই তল্লাশি চালানো হয়।
ফ্লাইট রেকর্ডারে পাওয়া তথ্য থেকে মনে হচ্ছে, বার্সেলোনা থেকে ডুসেলডর্ফগামী বিমানটির প্রধান পাইলট একবার ককপিট থেকে বেরিয়ে যাবার পরই লুবিৎস ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে দেন এবং বিমানটি দ্রুতগতিতে নিচে মামিয়ে এনে পর্বতের ওপর আছড়ে ফেলেন। এ নিয়ে এখন তদন্ত চলছে, এবং জানা যাচ্ছে যে ২০০৮ সালে লুবিৎস মানসিক চিকিৎসার জন্য তার বিমান চালনার প্রশিক্ষণ মাঝপথে বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছিলেন।
লুবিৎস বিষণ্ণতায় ভুগছিলেন বলে মনে করা হচ্ছে। লুফৎহানসা বিমান সংস্থা বলেছে, লুবিৎস বিমান চালনার জন্য ‘ফিট’ ছিলেন। এই ঘটনার পর বিমান সংস্থাগুলো উড়োজাহাজের ভেতরে নতুন নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছে। এর একটি হলো, বিমানের ককপিটে এখন থেকে সব সময়েই দু’জন লোক থাকতে হবে।