কলকাতা: কোভিড আক্রান্ত ডাক্তার উজান চ্যাটার্জী অর্থাৎ শন ব্যানার্জি। আপাতত হোম আইসোলেশন এ সম্পূর্ণ কোয়ারেন্টাইন এ সময় কাটাচ্ছেন তিনি। কোয়ারেন্টাইনের এই সময়টায় তিনি ছবি এঁকে টাইম পাস করছেন।ডিজিটাল আর্টে নিজেকে ডুবিয়ে রেখেছেন তিনি।

ডাক্তার উজান চ্যাটার্জী ওরফে শন ব্যানার্জি অনেক মেয়েদেরই হার্টথ্রব। উজান এবং অনামিকার প্রেম প্রায় বিপ্লব তৈরি করেছিল বাংলা সিরিয়ালের জগতে। এই এই সিরিয়াল শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও এই সিরিয়ালের জুটির প্রেমের রসায়নের হ্যাংওভার এখনো কাটাতে পারে নি অনেক টেলিপ্রেমিরাই । জনপ্রিয় বাংলা সিরিয়াল ‘এখানে আকাশ নীল’ শেষ হওয়ার পর কিছুদিনের বিরতি নিয়েছিলেন উজান।

এরপর ‘তেরা মেরা রিস্তা’ মিউজিক ভিডিয়োতে রিচা শর্মার সঙ্গে তাঁর প্রেমের রসায়ন নজর কেড়েছিল দর্শকদের। ছোট পর্দা থেকে এবার বড় পর্দায় পা রাখতে চলেছেন অভিনেতা শন ব্যানার্জী (Sean Banerjee)। ডেবিউ ফিচার ফিল্মেই জুটি বাঁধছেন অভিনেতা ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তের সঙ্গে। বলিউডের বিখ্যাত সিনেমাটোগ্রাফার কবীর লাল রয়েছেন পরিচালকের কুর্শিতে। তাল’, ‘কহো না প্যায়ার হ্যায়’, ‘হমারে দিল আপকে পাস হ্যায়’, ‘পরদেশ’-এর মতো ছবিতে কাজ করেছেন তিনি। কবীর লাল পরিচালিত এই ছবির নাম ‘অন্তর্দৃষ্টি’ (Antardrishti)। একটি অন্ধ মেয়ের গল্প নিয়ে ছবি এ ছবি। যে তার বোনের মৃত্যুর প্রতিশোধ নেবে । স্প্যানিশ ছবি ‘জুলিয়াজ আইস’-এর রিমেক বলা যেতে পারে ছবিটিকে।

শ্যুটিং হয়ে গেল উত্তরাঞ্চলের দেহরাদূন শহরে। প্রথমে সুইৎজারল্যান্ডে শ্যুটিংয়ের কথা হলেও করোনা অতিমারির জন্য সেই পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। এর পর দেহরাদূনেকে বেছে নিয়েছিলেন পরিচালক।

বাংলায় রিভেঞ্জ থ্রিলারের মুখ্য চরিত্রে ঋতুপর্ণার সঙ্গে আছেন শন বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার সঙ্গেই মরাঠি, তেলুগু এবং কন্নড় ভাষায় হবে ছবিটি। ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত নিজেই এই ছবির জন্য শন ব্যানার্জিকে পরিচালকের কাছে রেফার করেন। ঋতুপর্ণার কথায়, শন খুব ভাল কাজ করে। এবং উনি মনে করেন শনের আরেকটু এক্সপোজার পাওয়া দরকার।

শন ব্যানার্জীর আক্রান্ত হওয়ার খবর শোনার পর থেকেই তার দ্রুত আরোগ্য কামনা করছেন তামাম দর্শকবৃন্দ।
দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠে আবার শুটিং ফ্লোরে ব্যাক করুন শন ব্যানার্জি এই প্রার্থনাই থাকল আমাদের তরফ থেকেও।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।