নয়াদিল্লি, দেশজুড়ে বেড়েই চলেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। আজ রবিবার দুপুর পর্যন্ত সংখ্যা বেড়ে ১০২৪। করোনায় মৃত বেড়ে ২৫। এই অবস্থায় ভিন রাজ্যে আটকে থাকা শ্রমিক, পর্যটক সহ অন্যদের ফেরাতে তৎপরতা বন্ধ করতে রাজ্যগুলিকে আরও একবার নির্দেশ দিল কেন্দ্রীয় সরকার। একই সঙ্গে হাইওয়েতে সবরকম চলাচল বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিছুতেই থামানো যাচ্ছে না করোনার সংক্রমণ।

দেশে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। একইসঙ্গে বিভিন্ন রাজ্যের আটকে পড়া শ্রমিক, পর্যটকদের ফেরানোর তৎপরতা চলছে। এর ফলে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা আরও বাড়ছে। আর সেই কারণেই কেন্দ্রের তরফের রাজ্যগুলিকে নির্দেশিকা পাঠানো হল রবিবার। ভিন রাজ্যে আটকে থাকাদের ফেরাতে তৎপরতা বন্ধ না হলে বিপদ আরো বাড়বে। একথা জানিয়ে কেন্দ্রের তরফে নতুন করে ফের নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে দেশের সমস্ত রাজ্যগুলির কাছে।

শনিবার রাতেই দিল্লির গাজিয়াবাদের বাস টার্মিনালে লক্ষাধিক মানুষের জমায়েত চোখে পড়ে। বাসে করে নিজেদের রাজ্যে ফিরে যেতে তৎপরতা চোখে পড়ে। ভিন রাজ্যের শ্রমিক, পর্যটক সহ হাজারে হাজারে মানুষকে দল বেঁধে জমায়েত করে থাকতে দেখা যায়। বিপুল এই সমাগম থেকে কোনও সংক্রমণ দ্রুত বেগে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ভিন রাজ্যে আটকে পড়াদের ফেরাতে তৎপরতা বন্ধ করতে এর আগেও রাজ্যগুলিকে নির্দেশিকা পাঠিয়েছিল কেন্দ্র। কেন্দ্রের তরফে সেই নির্দেশিকা পেয়েও অনেক রাজ্য যথোপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি বলে অভিযোগ কেন্দ্রের। সেই কারণেই ফের রাজ্যগুলিকে সতর্ক করে দিল কেন্দ্রীয় সরকার। করোনা মোকাবিলায় দেশজুড়ে চলছে লকডাউন। বন্ধ রয়েছে সরকারি-বেসরকারি গণপরিবহন মাধ্যম।

প্রতিটি রাজ্যকে অন্য কোনও রাজ্যের কেউ আটকে থাকলে তাদের থাকা খাওয়ার সবরকম ব্যবস্থা করতে হবে, আগেই একথা স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার। কিন্তু এরপরেও কাতারে কাতারে মানুষকে হাইওয়ের উপর দিয়ে হাঁটতে দেখা যাচ্ছে। বাসস্ট্যান্ডে ভয়ঙ্কর ভিড়। যা দেখে চমকে উঠছেন দেশের মানুষ।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা