মাদ্রিদ:  গত কয়েকদিন আগেই আছড়ে পড়ে শক্তিশালী সাইক্লোন গ্লোরিয়া। প্রবল ঝড়ো হাওয়া সঙ্গে ভারী বৃষ্টি। যার ফলে উত্তাল হয়ে ওঠে সমুদ্র। একের পর এক বিশাল ঢেউ আছড়ে পড়তে থাকে। অনেক ক্ষেত্রেই সেই ঢেউ আছড়ে পড়ে তীরবর্তী এলাকাতেও। ফলে শহরের ভিতরে ঢুকে যায় জল। কিন্তু সবথেকে আশঙ্কা ছড়িয়ে পড়ে যে ভয়াবহ এক ছবি দেখে।

দেখা যায় সমুদ্রের ফেনিল ঢেউ শহরের বিভিন্ন রাস্তা ভাসিয়ে দিয়েছে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে স্পেনের শহর টোসা ডে এলাকা। সেই সমস্ত এলাকায় সমুদ্রের ফেনিল স্রোতে ভেসে যাচ্ছে এলাকা, শহরের রাস্তাঘাট। সেই ভয়াবহ ছবি সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল।

ফেনিল ঢেউয়ে বন্দি শহরের বিভিন্ন রাস্তা ও শক্তিশালী ঝড়ে শহরের বাসিন্দাদের বিপর্যস্ত হয়ে পড়ার ভিডিও সংবাদসংস্থা রয়টার্স ট্যুইটারে শেয়ার করে। ভিডিওতে স্পেনের ক্যাটালোনিয়া অঞ্চলের বার্সেলোনার নিকটবর্তী ছোট্ট এই শহরের বাসিন্দাদের দুর্ভোগের ভয়াবহ ছবি ধরা পড়েছে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, সমুদ্রের ফেনায় ঢাকা পড়েছে শহরের বিভিন্ন রাস্তা। এরফলে হাজার হাজার মানুষ আটকে পড়েন।ভিডিওতে দেখা গিয়েছে যে, প্রবল ঢেউ রাস্তায় ঢুকছে এবং রাস্তাগুলি সমুদ্রের সাদা ফেনায় ঢেকে যাচ্ছে।

ভয়াবহ এই ভিডিও দেখে আঁতকে উঠছেন অনেকেই। সবার মনেই একটাই প্রশ্ন, শহরের মধ্যে এভাবে সমুদ্রের ফেনা ছড়িয়ে পড়াটা কি স্বাভাবিক? তবে নেটিজেনদের একাংশ জানাচ্ছে, এটাই প্রকৃত জলবায়ু পরিবর্তনের নজির। এই ভিডিও শেয়ার করে অনেকেই লিখছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিপদ ঠেকাতে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া উচিৎ।

দেখুন সেই ভয়াবহ ভিডিও-

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।