কলকাতা: সাইক্লোনের সবথেকে ভয়ঙ্কর অবস্থা হল জলোচ্ছ্বাস। আমফানও তার ব্যতিক্রম নয়। দীর্ঘ ২১ বছর পর বঙ্গোপসাগরে এরকম একটি সুপার সাইক্লোন দেখা যাচ্ছে। আর ক্রমশ এগিয়ে আসছে সেই ঝড়।

জানা যাচ্ছে, এই সাইক্লোনের জেরে দেখা যেতে পারে প্রবল জলোচ্ছ্বাস। এমনকি ২৫ কিলোমিটার পর্যন্ত প্রবেশ করতে পারে সমুদ্রের জল। পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উপকূলের দিকে এভাবেই জল এগিয়ে আসতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সুন্দরবনে যেসব নদী রয়েছে, সেখানের জলেও এর প্রভাব দেখা যাবে। ওই অঞ্চলে বন্যা প্রায়শই হয়ে থাকে। আর সেই সঙ্গে জলোচ্ছ্বাস হলে অবস্থা আরও ভয়ঙ্কর হতে পারে। বিশ্বের অন্যানয় সমুদ্রের তুলনায়ন বঙ্গোপসাগর এখন দ্বিগুণ হারে ফুলে ফেঁপে উঠছে বলে জানিয়েছেন আইএমডি ডিরেক্টর জেনারেল মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্র।

মৌসম ভবনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জলোচ্ছ্বাস হতে পারে ৪ থেকে ৬ মিটার পর্যন্ত। এমনকি ভূমি এলাকায় সমুদ্রের জল ঢুকে পড়তে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে। এনদিআরএফের ৪১টি টিম মোতায়েন করা হয়েছে বাংলা ও ওডিশায়।

শেষ ঘন্টা মাফিক আপডেট অনুযায়ী ঝড়ের গতিবেগ ১৫৫-১৬৫ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টাই রয়েছে। ১৮৫ কিলমিটার প্রতি ঘন্টা এর সর্বোচ্চ গতি। দিঘা ও হাতিয়া দ্বীপের মাঝে আছড়ে পড়ার পর এই ঝড় ক্রমে এগিয়ে যাবে উত্তর ও উত্তর পূর্ব দিকে। এগিয়ে আসবে কলকাতার দিকে।

এনডিআরএফ প্রধান এসএন প্রধান জানিয়েছেন, পারাদ্বীপে এই মুহূর্তে ১০০ কিমি প্রতি ঘণ্টা বেগে ঝড় বইছে। উপকূলবর্তী অঞ্চলে প্রবল বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যেই দেড় লক্ষ মানুষকে উপকূল এলাকা থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বালাসোর ও ভদ্রক থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বহু মানুষকে। এছাড়া পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৩.৩ লক্ষ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরানো হয়েছে।

প্রশ্ন অনেক: দ্বিতীয় পর্ব