নয়াদিল্লি: দীর্ঘ একবছর ধরে চলে আসা করোনা ভাইরাসের দাপটে সমগ্র বিশ্বের শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন হয়েছে। সংক্রমণের ভয়ে বেশিরভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ এবং পঠনপাঠন এর যাবতীয় বন্দোবস্ত অনলাইন মাধ্যমে। ভারত ও তার ব্যতিক্রম নয়। দীর্ঘদিন ধরে ভারতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো বন্ধ। করোনার সময় থেকেই বিশ্বব্যাপী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের পড়ানোর পদ্ধতি, ভর্তির নিয়মে পরিবর্তন এনেছে। হার্ভার্ড, ইয়ালে, আইএসবি, আইআইএম-এর মত পাঁচতারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো আজও ছাত্রছাত্রীদের মেধা, অতীতে প্রাপ্ত নম্বর , ও পড়াশুনার অভিপ্রায়কে প্রাধান্য দিয়ে আসছে।

কিন্তু কীভাবে ভারতীয় শিক্ষার্থীরা বিশ্বব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে উচ্চশিক্ষার জন্য ভর্তির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন সেই বিষয়ের ওপর একটু নজর দেওয়া যাক।

১. করোনা কালে উপযুক্ত সংস্থানের অভাবের কারণে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়গুলি টেস্টের নম্বর ও ভর্তি প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় অন্যান্য বেশ কিছু বিষয়ে ছাড় দিয়েছে। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়, ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির মত নামজাদা বিশ্ববিদ্যালয়গুলি স্নাতকোত্তর ডিগ্রিতে ভর্তির ক্ষেত্রে GRE পরীক্ষার প্রাপ্ত নম্বর দেখে মূল্যায়নের বিষয়ে ছাড় দিয়েছে। ছাত্রছাত্রীদের অতীতের পারফরমেন্স ভর্তির ক্ষেত্রে প্রধান বিবেচ্য বিষয়।

২. নথিপত্রের ক্ষেত্রেও বিশ্ববিদ্যালয়গুলির তরফে নিয়ম শিথিল করা হয়েছে। এর পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য আবেদন করার সময়সীমা ও বৃদ্ধি করা হয়েছে।

৩. যে বিশ্ববিদ্যালয়ে আপনি আবেদন করছেন তার সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান ও ভর্তির ক্ষেত্রে প্রাধান্য পায়। লিংকডইন এর মত সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে আপনি বিশ্ববিদ্যালয়ের আধিকারিক ও অধ্যাপকদের সঙ্গে যদি যুক্ত হতে পারেন তবে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার ক্ষেত্রে আপনি সুবিধা পেতে পারেন। কারণ পড়াশুনা এখন অনলাইন মাধ্যমের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় আধিকারিক ও অধ্যাপকরা এই মাধ্যমে এখন অনেক বেশি সক্রিয়।

৪. বিশ্বব্যাপী করোনা আবহে বিশ্ববিদ্যালয় গুলি নিজেদের পাঠ্যসূচি ও শিক্ষাদানের পদ্ধতিতে অনেক বদল এনেছে। সময়ের চাহিদা অনুযায়ী এই বদলগুলোর সঙ্গে আপনাকে দ্রুত মানিয়ে নিয়ে চলতে হবে।

৫. বেশিরভাগ দেশে ২০-৩০% বেসরকারি সংস্থায় তাদের কর্মীরা শারিরীক ভাবে অফিসে এসে কাজ করছেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কর্মীরা ওয়ার্ক ফর্ম হোম করছেন। এক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত ভাবে দক্ষতার প্রয়োজন রয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়গুলিও প্রযুক্তির ব্যবহারে আপনার দক্ষতার প্রতি জোড় দেবে। সেক্ষেত্রে নিজেকে প্রস্তুত রাখলে সম্ভাবনা বেশি থাকবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.