নয়াদিল্লি : করোনার নতুন ধরণের সংক্রমণে বড়সড় ক্ষতি হতে পারে মস্তিষ্কে । গবেষকরা নতুন করোনা সংক্রমণের ধারার কথা শোনালেন, যা রীতিমত আশঙ্কার। সমীক্ষা বলছে, কোভিড ১৯য়ের নতুন পরীক্ষায় কিছু ফলাফল এই ধারার ইঙ্গিত করছে। এছাড়াও হতে পারে স্নায়ুতন্ত্রের ক্ষতি।

ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন বা ইউসিএলের গবেষকরা জানাচ্ছেন, এরকম ৪৩টি কেস তাঁরা পেয়েছেন, যেখানে কোভিড রোগির মস্তিষ্কে ক্ষতি হয়েছে। গবেষকদের ধারণা এই রোগিদের আগে থেকেই মস্তিষ্ক সংক্রান্ত কোনও রোগ ছিল। যেমন স্ট্রোক, স্নায়ুতন্ত্রের রোগ, মস্তিষ্কের অকার্যকারীতা ইত্যাদি।

গবেষকদের মতে এবার থেকে মানব শরীরে করোনার প্রভাব হিসেবে মস্তিষ্কের ক্ষতির বিষয়টিরও উল্লেখ করা হবে। করোনা মূলত ফুসফুসে আক্রমণ চালালেও, মস্তিষ্কেও এর প্রভাব পড়তে পারে। প্রভাব পড়তে পারে স্নায়ুতন্ত্রে। করোনার এই নতুন ধারা চিন্তায় ফেলেছে গবেষকদের। এদিকে, সমীক্ষা বলছে পরিস্থিতি ভালো নয়। করোনা সংক্রমণ ক্রমশ হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে।

এরই মাঝে আশঙ্কার খবর শোনাল ম্যাসাচুসেটস ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজি বা এমআইটি। এই প্রতিষ্ঠান জানাচ্ছে ভারতের করোনা পরিস্থিতি আরও খারাপ পর্যায়ে যেতে চলেছে। এমআইটির দাবি ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত সর্বাধিক করোনা সংক্রমণ দেখতে চলেছে ভারত।

ফেব্রুয়ারিতে প্রতি দিন ২.৮৭ লক্ষ মানুষ আক্রান্ত হতে পারেন। মোট ৮৪টি দেশের ডেটা সংগ্রহ করেছে এমআইটি। তারপরেই সমীক্ষা চালানো হয়েছে। গবেষক হাঝির রহমানদাদ, টিওয়াই লিম ও জন স্টেরম্যান এই সমীক্ষা চালান। গোটা বিশ্বে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছতে পারে ২০ কোটিতে, জানাচ্ছে তাঁদের সমীক্ষা।

তাঁরা আরও জানাচ্ছেন সঠিকভাবে চিকিৎসা না পেলে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াতে পারে ৬০ কোটি। জানা গিয়েছে, করোনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ রাষ্ট্র হতে চলেছে ভারত। এরপরেই থাকবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ আফ্রিকা, ইরান।

এদিকে, সর্বশেষ পাওয়া তথ্যে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই সেখানে মৃতের সংখ্যা পেরিয়ে গেছে ২ লক্ষের গণ্ডি। মহাদেশে মোট সংক্রামিতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৭ লক্ষ ৫১ হাজার ৬০৬ জনের। উল্লেখ্য, করোনার জেরে সারা বিশ্বে মোট মৃত্যু হয়েছে ৫ লক্ষ মানুষের। এরমধ্যে শুধুমাত্র ইউরোপেই সংখ্যাটা ২ লক্ষ ৫ জন। এই মহামারিতে ইউরোপেই মৃতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।