করোনা ভাইরাস

পুনে: সেন্টার ফর সেলুলার অ্যান্ড মলিকিউলার বায়োলজি (CCMB)-র বিজ্ঞানীরা SARS-CoV-2 জিনোম সিকোয়েন্সিং নিয়ে গবেষণা করছেন। দ্বিগুণ মিউট্যান্ট স্ট্রেন B.1.617 সহ SARS-CoV-2 ভাইরাসে অন্যান্য রূপগুলি নিয়ে গবেষণা চালাবেন তাঁরা। করোনার টিকা যাঁরা নিচ্ছেন তাঁদের অ্যান্টিবডি ভাইরাস নিষ্ক্রিয় করতে পারে কিনা, তা দেখা হচ্ছে। CCMB-র ডিরেক্টর রাকেশ মিশ্র জানিয়েছেন এর জন্য অন্তত ১০ দিন সময় লাগবে।

তিনি আরও বলেছেন, এটি পপুলেশন স্টাডি নয়। তাই যদি কারোর অ্যান্টিবডি সেল কালচারে স্থাপন করা হয় আর ভাইরাস সেটি সংক্রমিত না করতে পারে তাহলে ধরে নিতে হবে ভ্যাকসিন কাজ করছে। ১ মে থেকে যখন ১৮ বছরের উপর ভারতীয়রা ভ্যাকসিন পাবে তখন থেকে এটি আরও ভালোভাবে বোঝা যাবে। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী ১ জানুয়ারি ২০ হাজার করোনা সংক্রমণের খবর পাওয়া গিয়েছিল। আর ১৫ এপ্রিল তার ১০ গুণ বেশি করোনা আক্রান্তের খবর মিলেছে। আক্রান্তের সংখ্যা ২ লক্ষের বেশি। তিনি বলেছেন যেখানে ভাইরাসে যে ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া যাচ্ছে তা করোনা বিধি ঠিকমতো না মানার কারণেই ছড়িয়ে পড়ছে। কিন্তু যদি এক জায়গায় একাধিক ভ্যারিয়েন্ট দেখা যায় তাহলে সেক্ষেত্রে সংক্রমণ অনেকটাই বেশি হয়। যেমন হচ্ছে মহারাষ্ট্রে। এখানে E484Q ও L452R ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গিয়েছে।

এই ভাইরাস আচমকা একজনের থেকে অন্যজনের শরীরে যায় না। সঠিকভাবে কোভিড প্রোটোকল না মানলে ছড়িয়ে পড়ে করোনা। পঞ্জাব ও দিল্লিতে ব্রিটেনের ভ্যারিয়েন্ট বেশি দেখা গিয়েছে। অন্যদিকে মহারাষ্ট্র ডাবল মিউট্যান্টের সংক্রমণ বেশি। তেলাঙ্গানা ও অন্ধ্র প্রদেশেও এর প্রভাব পড়েছে। এই ভাইরাস কতটা ছড়িয়ে পড়ছে তা নিয়ে পরীক্ষা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন রাকেশ মিশ্র। প্রতিটি রাজ্য় থেকে ৫ শতাংশ নমুনা নিয়ে দেখা হচ্ছে কোনটি সবচেয়ে খারাপ বা কোনটি অপেক্ষাকৃত ভালো। এটি হতে পারে ততটা ভয়াবহ নয়। কিন্তু যদি দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে থাকে তবে সেটি খুব খারাপ ইঙ্গিত। ভয়াবহতা আসার আগে এটিকে তাড়াতাড়ি খতিয়ে দেখতে হবে।

স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ৯৫ হাজার ৪১ জন। মৃত্যু হয়েছে ২ হাজার ২৩ জনের। এই নিয়ে এখনও পর্যন্ত দেশে ১ কোটি ৫৬ লক্ষ ১৬ হাজার ১৩০ জন করোনায় আক্রান্ত হলেন। মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ৮২ হাজার ৫৫৩ জনে। অ্য়াক্টিভ মামলার সংখ্যা ২১ লক্ষ ৫৭ হাজার ৫৩৮। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গিয়েছেন ১ লক্ষ ৬৭ হাজার ৪৫৭ জন। এখনও পর্যন্ত মোট সুস্থতার সংখ্যা ১ কোটি ৩২ লক্ষ ৭৬ হাজার ৩৯। করোনাকে ঠেকাতে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে টিকাকরণ প্রক্রিয়া। এখনও পর্যন্ত ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে দেশের ১৩ কোটি ১ লক্ষ ১৯ হাজার ৩১০ জনকে। মঙ্গলবারের রিপোর্টে আক্রান্তের সংখ্যা একটু কমলেও বুধবারের রিপোর্ট তা অনেকটাই বেড়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.