ওয়াশিংটন : বিশ্ব জুড়ে অতিমারীর উত্তর হয়তো পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকরা বলছেন শরীরে পুনরুৎপাদন থামাতে পারা যাবে। যদি শরীরে করোনা ভাইরাসের ছড়িয়ে পড়া আটকানো যায়, তবে খুব দ্রুত সেরে উঠবেন রোগি। শরীরে অতিরিক্ত কোনও জটিলতাও তৈরি হবে না বলে জানাচ্ছেন গবেষকরা।

তাই করোনা ভাইরাসের পুনরুৎপাদন ঠেকানোর পরীক্ষায় বেশ কিছুটা সফলতা এসেছে বলে দাবি গবেষকদের। তাঁরা জানাচ্ছেন, ভাইরাসের আরএনএ কোষে ঢুকে পড়লে সেই কোষের প্রোটিন শৃঙ্খলকে ভেঙে ফেলতে সক্ষম হয় করোনা ভাইরাস। এর জেরে ধীরে ধীরে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমতে থাকে।

দেহে ক্রমশ বিস্তার লাভ করতে থাকে করোনা ভাইরাস। ওই কোষের থেকে রসদ সংগ্রহ করে বেঁচে থাকে করোনা ভাইরাস, তৈরি হতে থাকে নতুন নতুন ভাইরাসের সংস্করণ। এখানেই সমস্যা তৈরি হয়।

টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা জানাচ্ছেন, অনেক সময় নতুন নতুন সংস্করণ তৈরি করতে গিয়ে কিছু বিক্রিয়ার মাধ্যমে সম্পূর্ণ নতুন ভাইরাসের জন্ম হয়। একে মিউটেশন বলে। এর জেরে এমন কিছু ভাইরাস তৈরি হয়, যার সংস্পর্শে আগে কখনও শরীর আসেনি। ফলে আরও জটিলতা বাড়ে।

অনেক সময় রোগির মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। সায়েন্স জার্নালে প্রকাশিত টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের হেলথ সায়েন্স সেন্টারের গবেষকরা এখানেই সাফল্য পেয়েছেন, যে কীভাবে কোষ থেকে কোষে ভাইরাসের ছড়িয়ে পড়া বা মিউটেশন ঘটানো থামানো যায়। এজন্য দুটি মলিকিউল তৈরি করেছেন তাঁরা।

যাতে এই প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা যায়। সিসর উৎসেচক থেকে এই মলিকিউল গুলো তৈরি হয়েছে। মলিকিউলগুলি শরীরে প্রোটিনের উৎপাদনের হারকে বাড়িয়ে দেয়।

ফলে প্রোটিন শৃঙ্খল ভাঙতে পারে না করোনা ভাইরাস। সাইটোকিনস ও চেমোকিনস নামের এই মলিকিউল দুটি শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে সতর্ক করে বহিরাগত ভাইরাসের উপস্থিতি সম্পর্কে।

সপ্তম পর্বের দশভূজা লুভা নাহিদ চৌধুরী।